2016, I’m greatful to you!

Oh 2016!

You are really different to me than 2015 to 2010! I really miss you.

This year I met with Elanie Steyn, Jeff Moore, Kathy Adams, Imran Hasnat, Sohana Nasrin and so many big hearts!

I find Niloy Das as my caring big brother, Naureen Ayesha as a sister, Sohana Nasrin as a guardian cum sister, Elanie Steyn as a barrel of happiness!

I find Imran Hasnat as a Pirates of Carribean of my startup enthusiasm.

Palak Patel, Prashant Biswal, Shimrey, Htet, Aung, Su and Ro Sy are being my family member.

usstatedepartmentfellows

I could be a drop out from IBA-DU, but you made another plan for 2017?

You give me a great chance to meet Bobby Apa and Siam Bhai.
I get a big chance to carry my country name at US State Department Professional Fellows Congress.

I got 100+ new friends around the world. Now I’ve some great mate at India, Pakistan, Bulgaria, Moldova, Myanmar, Singapore, and so on!

I touch the land of USA.

I am very happy to get Michael W. Brose and Whitney Downie as my mentor and guru for startup journey.

You give me 366 days for reading 39 books!

Thank You 2016! Truely, It was an amazing year.

Hi! Myself Aashaa Zahid.
Basically, I’m a Transporter of Happiness. An average son of a great parent. An average man.
You could knock me, text me, ping me for nothing!
-- Stay cool. Embrace weird.
Total 302 views. Thank You for caring my happiness.

ব্র্যান্ড, প্রোডাক্ট, সার্ভিস আসলে ‘ভ্যালু’

আইবিএতে ইএমবিএ করার সময় দ্বিতীয় সেমিস্টারেই যখন ‘টাটা’ বলে ড্রপআউট হওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলাম তখন মোস্তাফিজ তপু ভাই মার্কেটিংয়ের ক্লাস-টেলাস করে ড্রপআউট হইতে বুদ্ধি দিয়েছিলেন। টাকা নষ্ট করে লাভ কি? ব্র্যান্ড ম্যানেজমেন্টের মুশতাক স্যারের ক্লাস না করলে ব্র্যান্ড-সার্ভিস-প্রোডাক্টের ব্যবসায়িক ফিলোসপি বুঝতে পারতাম না মনে হয়।
ক্লাসে স্যার অ্যাডভার্টাইজমেন্টকে আইএমসি-ইন্টিগ্রেটেড মার্কেটিং কমিউনিকেশন, প্রোডাক্ট আর সার্ভিসকে ভ্যালু হিসেবে বলতে বলছেন। তার যুক্তিতে পণ্যের ভ্যালু নেই তো গ্রাহক নেই, গ্রাহক নাই তো বাজার নাই। ভ্যালু-এক শব্দই ব্যবসা দুনিয়াতে টিকে থাকার উপায় তৈরি করে।
স্যার দ্যা পারসুট অব ওয়াও, পার্পল কাউ, ব্লু ওশেন স্ট্র্যাটেজিসহ আরও ৫/৬টা বই পড়ার পরামর্শ দেন।

‘ওয়াও’

যারা নতুন কিছু শুরু করতে চায়, তাদের পন্য বা সেবার মধ্যে কাস্টমার ‘ওয়াও’ জিনিষটা খুঁজে না পেলে তা নিয়ে বাজারে অনেকদিন টিকে থাকা কষ্টকর। পুরানো যারা তাদের নতুন ক্যাটাগরি তৈরির মাধ্যমে ওয়াও টাইপের পন্য তৈরি করাই বাজারে টিকে থাকার উপায়। আরসি জিরাপানি আনার পরে, সবাই ‘মি-ঠু’ পন্য হিসেবে জিরাপানি শুরু করে দিয়েছে। ‘মি-ঠু’ বা ‘কপি-পেস্ট’ কোম্পানিগুলো বেশিদিন টিকতে পারে না।

ব্লু ওশেন স্ট্র্যাটেজি

আপনি রেড ওশেনে নেমে যুদ্ধ করবেন না নতুন মার্কেট তৈরি করে সেখানে শান্তিতে যুদ্ধ করবেন তা আপনার ব্যবসায়িক বুদ্ধিমত্তা। মানুষ First আর Second কে চেনে, তৃতীয় বা অন্যদের চিনবেই না। ব্লু ওশেন স্ট্র্যাটেজি বইটা ২০০৫ সালে প্রকাশিত হওয়ার পরে ৪৩টি ভাষায় প্রকাশিত হয়।

প্রোডাক্ট বেটার না ডিফারেন্ট

স্টিভ জবস ডিফারেন্ট প্রোডাক্ট তৈরিতে সব সময় আগ্রহী ছিলেন। বেটার শব্দটা আপেক্ষিক, ডিফারেন্ট শব্দটার ইমপ্যাক্ট বেশি।

Hi! Myself Aashaa Zahid.
Basically, I’m a Transporter of Happiness. An average son of a great parent. An average man.
You could knock me, text me, ping me for nothing!
-- Stay cool. Embrace weird.
Total 1,633 views. Thank You for caring my happiness.

২০১৬ সালে যে বই পড়েছি

প্রতিবছরই প্ল্যান করি ‘কুটি-কুটি’ বই পড়ে দুনিয়া পাল্টাই দিব। বিশ্ববিদ্যালয়ে থাকতে তো পড়ার বই ধরতাম না, আবার বই পড়া আসবে কোথা থেকে? ২০১৩-১৪-১৫ সাল এক এক করে চলে গিয়ে ১৬ আসে; ষোলর শুরুতে বই পড়ার অভ্যাস কিংবা বই ধরার আগ্রহ তেমন ছিল না। ২০১৫ সালের শেষে আইবিএ’র এক্সিকিউটিভ এমবিএতে পড়ার জন্য কিছু ক্লাসের বই কেনা বা চ্যাপ্টার পড়া হয়, কিন্তু নিজের আগ্রহের কোনই বই পড়া শুরু করি নাই।

২০১৬ সালের ফেব্রুয়ারি কিংবা মার্চ মাসে ডেলিভারিং হ্যাপিনেস বইটার খোঁজ পাই, টনি সিয়ের বই-দারুণ। এরপরে ওকলাহোমা ইউনিভার্সিটির ফেলোশিপ নিয়ে আমেরিকাতে গেলে আরও বইয়ের খোঁজ পাই।

ক্লাসের পড়ার বইগুলোর প্যাটার্নই পেইন, কিন্তু অন্য বই আসলেই রঙিন-রং। এরপরে পড়ার সুযোগ পাই পিটার থিয়েলের জিরো টু ওয়ান, আরেকটা দারুণ বই।

স্টার্টআপ বা ব্র্যান্ড বা কাজের যে কয়’টা বই পড়েছি তার মধ্যে অন্যতম ছিল তালিকার বইগুলো:

বইয়ের নাম লেখক র‍্যাংকিং
দ্য আর্ট অব স্টার্ট গাই কাওয়াসাকি দারুণ। স্টার্টআপ ফ্রিকদের জন্য বাইবেল।
ম্যাকিনটোশ ওয়ে গাই কাওয়াসাকি নব্বই দশকে লেখা বই, এখনও জোস।
জিরো টু ওয়ান পিটার থিয়েল জোস, দারুণ। কুল।
ডেলিভারিং হ্যাপিনেস টনি সিয়েহ দারুণ।
ম্যাকেইনঞ্জি মাইন্ড প্রবলেম সল্ভিংয়ের উপর বই।
জ্যাগ ব্র্যান্ডিংয়ের উপর বই।
দ্য ওয়ার অব আর্ট মোটামুটি বই।
ডিসিপ্লিন্ড এন্টারপ্রেনারশিপ এমআইটির প্রফেসরের বই। দারুণ।
Hi! Myself Aashaa Zahid.
Basically, I’m a Transporter of Happiness. An average son of a great parent. An average man.
You could knock me, text me, ping me for nothing!
-- Stay cool. Embrace weird.
Total 1,628 views. Thank You for caring my happiness.

সোফারও কিন্তু একটা উদ্দেশ্য থাকে-স্টিভ জবস

বিয়ের পরে স্টিভ জবস তার সহধর্মী মিসেস জবস ল্যরেন পাওয়েলকে নিয়ে নতুন বাড়িতে ওঠেন। বিশাল স্প্যানিশ নকশার বাড়িতে ছিল না তেমন কোন ফার্নিচার আর কোন আসবাবপত্র। লিভিং রুমের ডেকোরেশন কি হবে তা নিয়ে মিসেস জবসে সঙ্গে অনেক বছর একমত হতে পারেন নাই স্টিভ জবস। ‘What is the purpose of a sofa?’-এই তর্কের বয়স ৮ বছর হলে তারপরে ক্ষ্যান্ত হন মিসেস জবস।
স্টিভ জবসের পারফেকশনের প্রতিটি এতটাই অবসেশন ছিল সেটা তার বাড়ির আসবাবপত্র কেনা ও ব্যবহারের দিকে খেয়াল করলে প্রমাণ পাওয়া যায়। ১৯৯৬ সালে উইয়াডের এক নিবন্ধে লেখা হয়, নতুন দম্পতিরা যখন তার সন্তানের নাম কি হবে সেটা নিয়ে ভাবে, তখন স্টিভ জবস আর ল্যরেন কোন দেশের ওয়াশিং মেশিন কিনবেন তা নিয়ে আলোচনা করতেন। কি খাবার টেবিল, কি ঘুমানোর সময় চলতো কোন ওয়াশিং মেশিনের ডিজাইন কেমন ভালো।

stevejobs২০১৬ সালের মধ্য ডিসেম্বরে আমি Steve Jobs: The Man Who Thought Different বইটা সংগ্রহ করি। Karen Blumenthal-এর লেখায় অনেক কিছু সংক্ষিপ্ত মনে হয়েছে আমার। তবে Walter Isaacson এর বায়োগ্রাফিকেই স্টিভ জবসের অফিসিয়াল বায়ো ধরা হয়, ছয়শর বেশি পৃষ্টা।

বায়োগ্রাফি যেমন হয় তেমনই এক বই, আর বইটা যেহেতু স্টিভ জবসে নিয়ে তাই অনেক কথা হয়তো অনেকবারই অন্য কোথায় পড়েছি। স্টিভ জবস প্রায় সময়ই ‘ওয়ান ম্যান’ টাইপের আচরণ করতেন, যার কারণে বইটার যত সামনে গিয়েছি ততই পড়ার আগ্রহ বেড়েছে। কখনও সুপার হিরো, কখনও টেক জিনিয়াস, কখনও সম্পূর্ণ একা-এমন একটা মানুষ ছিলেন স্টিভ জবস। স্বার্থ, হিংসা, রাগ-সবই ছিল স্টিভের জীবনে।
স্টিভ জবস ব্যক্তিগত জীবনে ভয়ানক, প্যাথোলজিক্যাল লায়ার, অ্যাগ্রেসিভ ছিল বললেও ভুল হবে না!
প্রয়োজনে বন্ধুর বোনাসের টাকা নিজের নামে তুলেছেন, পরে তা ফাঁস হলে ‘মিথ্যা’ বলে পার পাওয়ার চেষ্টা করেছেন। কন্যাকে অস্বীকৃতি জানিয়েছেন, আবার শেষে বাবা-সন্তানের সম্পর্ককে গুরুত্ব দিয়েছেন। মাইক্রোসফটকে আজীবন শত্রু ভাবলেও বিপদে পড়ে টাকা নিয়েছেন, মাথা নিচু করলেও নিজের ‘না’-কে ‘না’ হিসেবে বলে গেছেন স্টিভ জবস।

Hi! Myself Aashaa Zahid.
Basically, I’m a Transporter of Happiness. An average son of a great parent. An average man.
You could knock me, text me, ping me for nothing!
-- Stay cool. Embrace weird.
Total 1,795 views. Thank You for caring my happiness.

গণিত উৎসবের অ্যাড্রেনালিন রাশ

সন্ধ্যা ৭টা।
আমি অফিসের কাজ শেষে বাসায় যাওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছি। এমন সময় বায়েজিদ জুয়েল ভাইয়ের ফোন, ‘১১টায় বাস, রাজশাহী যেতে হবে। সোহাগ ভাইয়ের ফ্লাইট ক্যানসেল হইছে।’ ‘হ্যাঁ’ বলার আগেই রাজি হয়ে বললাম, ‘ওকে।’ প্ল্যান করলাম যেহেতু চারঘণ্টার মত সময় পাচ্ছি, আরেকটু অফিসে থেকে বাসা হয়ে কল্যানপুর বাস স্ট্যান্ডে চলে যাবো।
রাত ৮টা।
জুয়েল ভাইয়ের ফোন, ‘বাস ৯.৩০ মিনিটে। এখনই কল্যানপুর দৌড় দাও। ক্রিসমাসের তিনদিনের ছুটির জন্য টিকেট নাই।’ আমি দৌড়ে সিএনজি দিয়ে কল্যানপুরে রওয়ানা দিয়ে দিলাম।
একটু পরে কামরুলের ফোন, সেও যাচ্ছে। রাত ৯.৪০ মিনিটে আমি কল্যানপুরে তাসরিফের কাছ থেকে টিকিট নিলাম, ১০টায় বাস-তখন কামরুল মিরপুর স্টেডিয়াম এলাকায়। আসতে পারবে তো?
রাত ১০.২০ মিনিট কামরুল কোন মতে আসলে গাড়ি ছাড়ে, আমরা রাজশাহীর দিকে যাওয়ার জন্য ঘুম দিলাম।

img_20161223_154204
ইকোলোর বাইকে এয়ারপোর্টে যাওয়ার সময় তোলা ছবি।

দুপুর ৩টা, গণিত অলিম্পিয়াডের ফলাফল ঘোষণার সময়। আমার রাজশাহী-ঢাকা ফ্লাইট ৩.৩০ মিনিট। কই থেকে কি করবো না বুঝে অনুষ্ঠান শেষ করেই ইকোলোর বাইকের চড়ে রাজশাহীর শাহমখদুম বিমানবন্দরে ছুটলাম। শেষ যাত্রী হিসেবে ফ্লাইটে চড়ে ঢাকা ফিরলাম।

img_20161223_155848
শাহ মখদুম বিমান বন্দরে আমার সেলফি।

টানাটানির মধ্যে ঢাকা ফেরার কারন, সন্ধ্যা ৭টায় আইবিএতে ব্র্যান্ডের মুশতাক স্যারের ক্লাস

২০০৮ সাল থেকে এমন দৌড়াদুড়ি করেই গণিত উৎসবে যোগ দেই। প্রতিবছরই এমন টানাটানির দৌড়াদুড়ির ঘটনা ঘটিয়েছি, উপায় নাই তো! সকালে নেমে প্রোগ্রাম শেষে বিকেলের ফ্লাইটে ফিরে এসে অফিসে মিটিং করছি, ক্লাস করছি-কাউকেই বুঝতে দেই নাই।

 

img_20161223_155854
বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের বিমানের সঙ্গে সেলফি।

 

অ্যাড্রেনালিন রাশ বিষয়টা কি তার গণিত অলিম্পিয়াডের ভলান্টিয়ার না হইলে বুঝতাম না মনে হয়!

 

আরও পড়ুন:

গণিতের দৌড়।

Hi! Myself Aashaa Zahid.
Basically, I’m a Transporter of Happiness. An average son of a great parent. An average man.
You could knock me, text me, ping me for nothing!
-- Stay cool. Embrace weird.
Total 1,375 views. Thank You for caring my happiness.

দিয়ার গল্প

সাবহানাজ রশীদ দিয়া, নাম একটা-পরিচয় কয়েকটা। আমি চিনি তাকে ২০০৮ সাল থেকে। সে আমাকে চেনেন ২০১০ সাল থেকে। এটিএন নিউজের টেক নিউজ অনুষ্ঠানে খান অ্যাকাডেমির ভিডিও বাংলা করা নিয়ে তার ইন্টারভিউ করেছিলাম ২০১০ সালে, সেই সুবাদে পরিচয়। এরপরে দিয়া যখন ঢাকায় ছিলেন তখন এমন কোন কাজ ছিল না, যেখানে উনাকে জ্বালাই নাই। আগামী দিনের লিডার, পলিসি মেকার-জ্বালানোর হাজারো কারন আছে।

দিয়ার সেই ইন্টারভিউ! এরপরে আরেকবার ইন্টারভিউ করছিলাম দিয়াদের বাসার ছাদে, সেই ইন্টারভিউ অবশ্য অনএয়ার হয় নাই।
সর্বশেষ দেশ ছাড়ার আগে কোন এক ঈদে দিয়ার ১৫ মিনিট টিভি ইন্টারভিউ নিয়েছিলাম রবীন্দ্র সরোবরে। সেই শ্যাষ দেখা!

aashaawithdiya
গতবছর দিয়ার সঙ্গে আমি। ছবি: আকিব।

গেল ঢাকা সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে দিয়া পাবলিক উইন্ডো নামে দারুণ এক কাজ করেছিল। আমাকে দিয়া সেই কাজে বাংলা অনুবাদে নিয়েছিল। দিয়ার অনেক বাংলা লেখার প্রুফ রিড ছিলাম আমি!

শুভ জন্মদিন দিয়ামিয়া।

পড়ুন: দিয়ার ব্লগ

Hi! Myself Aashaa Zahid.
Basically, I’m a Transporter of Happiness. An average son of a great parent. An average man.
You could knock me, text me, ping me for nothing!
-- Stay cool. Embrace weird.
Total 1,412 views. Thank You for caring my happiness.

‘বিজয়ীরা ধ্বংস হউক’

গণিত অলিম্পিয়াডে প্রতি বছরই অ্যাকাডেমিক টিমে বুয়েট, ঢাবি, কুয়েট থেকে নতুন নতুন মুখ যুক্ত হয়। এবারও ২০১৭ সালের গণিত উৎসবের অ্যাকাডেমিক দলে কিছু নতুন মুখ যুক্ত হয়েছে। এদের কয়েকজনের সঙ্গে ১৯ ও ২০ ডিসেম্বর আমি কুমিল্লা ও ফেনী গণিত উৎসবে অংশ নেই। কুমিল্লা উৎসব শেষে সবাই ফেনীর দিকে ছুটছিলাম বেলাল ভাইয়ের টয়োটা হায়েছে চড়ে। তার খন্ড গল্পের এই পোস্ট।
গাড়িতে মুনির হাসান স্যার সহ রুবেল ভাই (প্রথম আলোর অ্যাডমিনের লোক), জুনায়েদ (ঢাবির হবু শিক্ষক), মুয়াজ (জুনায়েদ যখন ২ সাইজের জুতা পড়তো, মুয়াজ তখন ৮। এখন জুনাইদ ৮, মুয়াজও ৮!) আর তাসরিফ (ট্যুর ম্যানেজার), আর আমি ডেজগনেশন ছাড়া লোক।

আমার টাইম সেন্স

দুমাস আগেও আমার একমিনিট মানে ভয়ানক কিছু ছিল। আমি যে বদলাইছি তা কেউই বিশ্বাস করে না এখন। কুমিল্লা উৎসবে যাওয়ার জন্য সেই ভোর ৫.৩৫ -এ মুনির ভাইয়ের বাসার সামনে হাজির ছিলাম আমি। অথচ গাড়ি ছাড়ার সময় ছিল ৬টা!

‘তুমহারা নাম কেয়া হ্যায়, বাসন্তী?’

মুনির হাসান স্যার নতুনদের নাম আর কে কই পড়ে তা জিজ্ঞাসা দিয়ে শুরু করে তার স্কেট রোলার। প্রথমে যে নাম বলল সামিন, সে রুয়েটে ইসিই নিয়ে পড়ার কথা জানায়। সৌম্য আইইউটিতে পড়ে, সিএসইতে। সিম্পল প্রশ্ন, সিম্পল উত্তর।
এরপরে কে জানি তার নাম জুবায়ের বলে, আর আগ্রহের কথা জানায় সিনেমা বানাবে। মুনির হাসান স্যার কারন জানতে চাইলে সে ‘কি সব তাত্বিক’ কথা বলে ফেনীর দিকে গাড়ি এগিয়ে নিয়ে যায়। মুনির হাসান স্যার এসময় কে কোন সিনেমা দেখছে তা নিয়ে জানতে চায়। সবচেয়ে ছোট সিনেমা ব্যাটেলশিপ পটেমকিন দেখছি কিনা জিজ্ঞেস করে।
মুনির হাসানের শোলে
মুনির হাসান: শোলে সিনেমা দেখছো তোমরা?
গাড়ির অর্ধেক: হ্যাঁ।
গাড়ি অর্ধেক: না।
মুনির হাসান: কি বলো! তোমরা তো জীবনে তাহলে কিছুই করো নাই। যারা দেখছো তারা শোলের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ডায়লোগটা কি বলো?
গাড়ির অর্ধেক: কিতনে আদমি থ্যা?
মুনির হাসান: হয় নাই।
গাড়ির অর্ধেক: এ হাত মুঝে দে দো…
মুনির হাসান: হয় নাই। তোমরা যে কি!
গাড়ির সবাই: (ভাবছে, আর কোন লাইন আছে?)
মুনির হাসান: শোলেতে ধর্মেন্দ্র আর অমিতাভকে ওই যে মেয়েটা হেমা মালিনি নিতে আসে….
জুনায়েদ: বাসন্তী।
মুনির হাসান: হ্যাঁ, বাসন্তী। ওখানে দেখা হওয়ার পরে বাসন্তী সবার নাম জিজ্ঞেস করে। এলাকার কি অবস্থা তা জিজ্ঞেস করে। সেখানে মিনিট ৫ চলে যাওয়ার পরে বাসন্তী জিজ্ঞেস করে, ‘কেমন মানুষ তোমরা? আমার নাম জিজ্ঞাসা করলা না?’
তখন অমিতাভ জিজ্ঞেস করে, ‘তুমহারা নাম কেয়া হ্যায়, বাসন্তী?’

img_0197

বড় নাম, শ্রেষ্ঠ

ফেনীতে গাড়িতে সবার পরিচয় পর্ব শেষ হওয়ার পরে এক কণ্ঠ থেকে চিৎকার। ‘আপনি তো আমার নাম জিজ্ঞেস করেন নাই।’ মুনির হাসানের উত্তর, ‘কি নাম তোমার?’
প্রতি উত্তর, ‘আমার নাম দেওয়ান সালসাবিল আহমেদ শ্রেষ্ট।’
মুনির হাসান, ‘এজন্যই নাম কেউ জিজ্ঞাস করে নাই!’

bdmo-academic-team

‘বিজয়ীরা ধ্বংস হউক’

জাফর স্যার, মুনির হাসান স্যার প্রায় গণিত উৎসবেই পুরষ্কার বিতরণের সময় বলেন অনুষ্ঠান শেষে যারা প্রাইজ পাও নাই তারা এক কোনে দাড়িয়ে ‘বিজয়ীরা ধ্বংস হও’ বলে চিৎকার করবো। ফেনী উৎসবে সেই কাজটি করছেন মুনির হাসান স্যার ও আরেক শিক্ষার্থী। তার নাম আর ছবি তোলার আগেই সে চলে যায়। ৮ বছর ধরে গণিত উৎসবের বিভিন্ন উৎসবে গেলেও এমন ঘটনা চোখে পড়ে নাই আমার।

img_0013

নাজিয়ার দশ বছর

গণিত উৎসবের পরিচিত মুখ নাজিয়া। নাজিয়ার আম্মা ‘জেসমিন আন্টি’, ‘রাজিয়া ম্যাডাম/আন্টি’, ‘হামিদ ভাই’সহ আরও কয়েকজন আমরা এবার কুমিল্লা উৎসবে যাই। নাজিয়ার ১০ বছর হচ্ছে গণিত অলিম্পিয়াডে। ২০০৬ সালে চট্টগ্রামে গণিত উৎসবের মাধ্যমে ওর গণিত অলিম্পিয়াডে অংশগ্রহণ শুরু, এরপরের গল্প Nazia MIT লিখে গুগল করলেই জানা যায়। কুমিল্লা উৎসবের সকালে নাজিয়া জানায়, ‘২ বছর আগে একই দিনে আমরা ময়মনসিংহ গণিত উৎসবে গিয়েছিলাম। সেবার ইশফাকও ছিল সেখানে।’

Hi! Myself Aashaa Zahid.
Basically, I’m a Transporter of Happiness. An average son of a great parent. An average man.
You could knock me, text me, ping me for nothing!
-- Stay cool. Embrace weird.
Total 2,357 views. Thank You for caring my happiness.

ব্র্যান্ডিং নিয়ে মুশতাক স্যারের রিকমেন্ডেড যত বই: পর্ব ১

আইবিএ-ঢাবির ব্র্যান্ডিং নিয়ে পড়ানোর জন্য দারুণ আলোচিত মুশতাক আহমেদ স্যার। ব্র্যান্ডিংয়ের উপর পেন্টাগন অব ভ্যালু ইনোভেশন মডেলের জন্য দারুণ আলোচিত তিনি। স্বাধীন বাংলাদেশের আইবিএর প্রথম ব্যাচের শিক্ষার্থী ছিলেন তিনি। মুশতাক স্যার তার ব্র্যান্ডিং ম্যানেজমেন্ট ক্লাসের শিক্ষার্থীদের বেশ কয়েকটি বই রিকমেন্ড করেন। ব্র্যান্ডিং নিয়ে যারা আগ্রহী তারা স্যারের বইগুলো পড়তে পারেন। আমি অবশ্য স্যার রেফার করার আগেই কর্নেল ইউনিভার্সিটির রিসোর্স ম্যাটেরিয়ালের মাধ্যমে অনেকগুলো বই পড়ার সুযোগ পাই। আর যখন ইউনিভার্সিটি অব ওকলাহোমার প্রোফেশনাল ফেলোশিপের এক্সচেঞ্জ স্টুডেন্ট ছিলাম তখনও বেশ ক’টি বই নিয়ে দারুণভাবে পড়ার সুযোগ পেয়েছিলাম। ব্র্যান্ডিংয়ের দুনিয়া যে কত দারুণ আর দ্রুতগতির তা এসব বইপত্র পড়লে টের পাওয়া যায়।

গোলাপি গরুর গল্প

একসঙ্গে ১০০ গরু দেখলে আপনি কোন গরুকেই মনে রাখতে পারবেন না। কিন্তু ১০০ ‘কমন গরু’ যখন কোন গোয়ালে থাকে সেখানে একটা গোলাপি গরু থাকলে তাকে আপনি চিনবেনই। শুধু চিনবেনই না, অন্যদের কাছে তার গল্পও জুড়ে দেবেন। সেথ গডিনের পার্পেল কাউ বইটা সেই গোলাপি গরু নিয়েই। আপনার ব্র্যান্ড কিংবা স্টার্টআপকে ১০০ কমন-নরম্যাল গরু থেকে কেমনে ‘পার্পেল কাউ‘ হিসেবে প্রতিষ্ঠা করবেন তা এই বইয়ে লিখেছেন সেথ গডিন।finding-my-purple-cow
মার্কেটিং আর ব্র্যান্ডিং দুনিয়াতে ‘ফোর পি’ দারুণ জনপ্রিয়-প্রাইসিং, প্রোমোশন, প্লেস আর পাবলিসিটি; এই চার পির সঙ্গে আরেক পি (পি ফ্রম পার্পেল কাউ) যোগ করার বুদ্ধি দিয়েছে সেথ গডিন।

পার্পেল কাউ বই নিয়ে গুডরিডসের সামারি পড়ুন।

 

“আমরা বোতল খাই, কোমল পানীয় খাই না।”

Coke Bottle

ইংরেজিতে এই শিরোনামটা এমন, “We drink the can, not the beverage.”! ব্যাপারটা একটু চিন্তা করলে দোকানে যেয়ে আমরা যখন কোকের ক্যান অর্ডার দেই তখন ভেতরে প্রাণ কোলা থাকলেও আমরা সেই কোকের লোগোওয়ালা বোতলটাই কিনতে চাই। এমনই করে, চাইনিজ মোবাইলটাই যখন এইচটিসি ব্র্যান্ডে সামনে আসে তখনই আমরা তা কিনি। সেথ গডিনের আরেকটা দারুণ বই All Marketers Are Liars। লায়ার্স শব্দটা বদলে আসলে স্টোরি টেলার্স বলতে হবে। পুরো বইয়ের সারমর্ম হলো, আপনার পণ্যে যদি কোন গল্প না থাকে তাহলে আপনি সেই পণ্য ছুঁয়েও দেখবেন না। আপনার পণ্য বিপণনে গল্প না থাকলে সেই পণ্য বাজারে বেশি দিন চলে না। গ্রামীণফোন, বাংলালিংকের নানান বিজ্ঞাপনে দেখলে বিষয়টা বোঝা যায়, একেক সময় একেক গল্পের হুজুগে আমাকে আপনাকে ইন্টারনেট প্যাকেজ কিনতে উৎসাহ দেয়।

অল মার্কেটিয়ার্স আর লায়ার্স নিয়ে আমার লেখা কিপয়েন্টসগুলো পড়তে পারেন।

কোকাকোলার দারুণ কিছু বিজ্ঞাপন দেখতে ক্লিক করুন

 

আরও যে সব বই ক্লাসে রেফার করেন:

  • ব্লু ওশেন স্ট্র্যাটেজি
  • দ্য রাইজ অব পিআর
  • ডিফারেনশিয়েট অব ডাই
Hi! Myself Aashaa Zahid.
Basically, I’m a Transporter of Happiness. An average son of a great parent. An average man.
You could knock me, text me, ping me for nothing!
-- Stay cool. Embrace weird.
Total 2,253 views. Thank You for caring my happiness.

কোকা-কোলার পত্রিকা কাঁপানো কিছু বিজ্ঞাপন

coke4
সার্ফার দেখা যায়?
coke3
পেন্সিলের মাথায় কিসের বোতল?
coke1
মেসেজটা দেখছেন কি?

coke5 coke2 Coke Bottle

Hi! Myself Aashaa Zahid.
Basically, I’m a Transporter of Happiness. An average son of a great parent. An average man.
You could knock me, text me, ping me for nothing!
-- Stay cool. Embrace weird.
Total 1,191 views. Thank You for caring my happiness.

…to connect to each other

Brainfluence: 100 Ways to Persuade and Convince Consumers with Neuromarketing is an incredible book.

A useful accumulation of apparatuses, tips and things you can do to enhance the way you market to individuals. Brief and to the point.

The fundamental thought about this book is Neuromarketing yet the essayist called it has “More savvy Marketing“. Evidence from more than 150 investigations contemplates, illuminating in a sensible, practical and brief way how each of these results were gotten by perceiving how the client cerebrum capacities and the way it can be abused remembering the true objective to raise bargains and make relationship by having better ads, better products-services and satisfied customers.

Things I supported from this book:

Step by step instructions to minimize the client’s agony of paying.

Step by step instructions to change the state of mind of negative analysts into steadfast clients.

By what means ought to the cost be exhibited in order to greatly affect the purchasing choice.

As a Businessman – Unconventional promoting procedures that will help us in expanding the deals, with next to zero speculation by any stretch of the imagination.

As a Consumer – How to settle on choices and what drives us to purchase an item or administration.

Hi! Myself Aashaa Zahid.
Basically, I’m a Transporter of Happiness. An average son of a great parent. An average man.
You could knock me, text me, ping me for nothing!
-- Stay cool. Embrace weird.
Total 312 views. Thank You for caring my happiness.