দ্য আর্ট অব বিজনেজ মডেল

প্রথমেই বলা ভালো, আমি নিজে কোন সফল কেউ না বা সেই টাইপেরও কোন ব্যক্তি না। উদ্যোক্তা আর উদ্ভাবন নিয়ে কথা বলা পর্যন্তই দৌড় আমার, বাস্তবের দুনিয়াতে তেমন স্পর্শই নাই আমার। এই পোস্টটা গাই কাওয়াসাকিসহ আরও ২/৩জন স্টার্টআপ এনথুসিয়াস্টদের ভাবনা থেকে দাঁড় করানোর চেষ্টা করেছি।
ভালো ব্যবসা কাকে বলে? ১০ টাকার কোন কিছু ১ লাখ পিছ বিক্রি করে লাভবান হওয়া নাকি ১ লাখ টাকার কোন জিনিষ ১০ পিছ বিক্রি করে ব্যবসা করা, কোনটাকে ভালো ব্যবসা বলবেন? ভালো ব্যবসার মডেল আপনাকে দুটো প্রশ্নের সামনে দাড় করিয়ে দিবেই।

প্রথম প্রশ্ন, আপনার টাকা কার পকেটে আছে?
দ্বিতীয় প্রশ্ন, কিভাবে আপনি সেই টাকা আপনার পকেটে আনবেন?

টাকা আয় আসলে সবচেয়ে কঠিন কাজগুলোর মধ্যে একটি, যেখানে কাস্টমারের পকেট থেকে টাকা বের করা তো এভারেস্টেই চড়া। কাস্টমার হিসেবে নিজেকে দেখুন, কোন কিছু কেনার আগে কত চয়েস, কত দোকানে ঘোরা, কত ঘোড়ায় চড়াচড়ি, শেষপর্যন্ত কিছু একটা কেনা। কাস্টমার হচ্ছে দুনিয়ার সবচেয়ে বুদ্ধিমান হোমো স্যাপিয়েন্স, তাদের কাছ থেকে টাকা সরানো-সহজ বাংলায় লুট- করা কিন্তু কঠিন!


প্রথম প্রশ্নটি আসলে কে আপনার কাস্টমার, কার কাছ থেকে টাকা নেবেন; আর দ্বিতীয় প্রশ্নটি কিভাবে টাকা আয় করবেন সেই মেকানিজম-বিক্রয় সম্পর্কিত।
নতুন স্টার্টআপ কিংবা উদ্যোগের শুরুতে বিজনেজ মডেল কি হবে তা না ভেবে মাঠে নামলে বিপদ+ভোগান্তিতে পড়বেনই। এছাড়াও কাস্টমার আপনার কাছে আসবে সেটা না ভেবে সেবা বা পণ্যকে কিভাবে কাস্টমারের কাছে নিয়ে যাওয়া যায় তা ভাবতে পারেন।
বিজনেজ মডেল দাড় করানোর ক্ষেত্রে গাই কাওয়াসাকির তিনটে পরামর্শ অনুসরণ করা যেতে পারে।

স্পেসিফিক নিশ টার্গেট সেট করুন

আপনি যত ক্ষুদ্রভাবে আপনার কাস্টমার শ্রেনিকে ভাগ করতে পারবেন ততই আপনার ব্যবসা মডেল পরিষ্কার ভাবতে পারবেন। ফেসবুক কিন্তু আইভি লিগের ৪/৫টা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের মধ্যে প্রথমে ছিল, শেষ পর্যন্ত তা কোথায় এসে ঠেকেছে তা তো সবাই জানেন।
আমার পণ্যের কোটি কোটি গ্রাহক হবে, এটা কখনই ভাববেন না। মার্কেটিং দুনিয়াতে ‘ওয়ান পার্সেন্ট অব চাইনিজ মার্কেট’ বলে কিছু কথা আছে। দুনিয়ার যে কোন পণ্য চীনের এক শতাংশ জনসংখ্যা ব্যবহার করলেই তার মিলিয়ন ডলার রেভিনিউ আসবেই কিন্তু। এত বড় বাজারে নামার সাহস খুব কম কোম্পানিরই আছে, সেক্ষেত্রে নিশ মার্কেট ধরে ধরে এগোনোই ভালো।

অন্যকে অনুসরণ করুন!

আধুনিক ব্যবসা দুনিয়ার বয়সও প্রায় ১০০ বছরের বেশি। অনেক রকম বিজনেজ মডেল নিয়ে দুনিয়ার নানান প্রান্তে নানান ব্যবসায়ী-উদ্যোক্তারা কাজ করছেন। যে পণ্য নিয়ে ব্যবসা করতে চান তার মতই ব্যবসা কেউ না কেউ করছে বা প্রায় কিছুটা করে যাচ্ছে। সেক্ষেত্রে নতুন ব্যবসা মডেল তৈরিতে সময় বেশি নষ্ট না করে, প্রচলিত মডেলকে কিভাবে লোকালাইজেশন করা যায় সেদিকে নতুন করে ভাবতে পারেন। যেমন আপনি শরবত বিক্রি করার কিছু করতে চাইলে স্টারবাকসের মডেলকে আদর্শ ধরতে পারেন।

কোনটা খাবেন?

কেকের বড় টুকরো খাবেন, নাকি ছোট ছোট অনেকগুলো টুকরো খাবেন?

Hi! Myself Aashaa Zahid.
Basically, I’m a Transporter of Happiness. An average son of a great parent. An average man.
You could knock me, text me, ping me for nothing!
-- Stay cool. Embrace weird.
Total 1,425 views. Thank You for caring my happiness.

কাজী আরেফিন শশীর পাঁচ কাজের প্রিয় বই

কাজী আরেফিন শশী, তার নেটওয়ার্কের লোকজন তাকে মুক্তখবরের শশী নামেই ডাকে। মাল একটা। শশী ভাই ভিজ্যুয়াল মিডিয়ার লোক, দারুণ উৎসাহী-ভার্সেটাইল সেন্সের মানুষ।
তার কাছ থেকেই এই বইয়ের লিস্টের পাই, সৃজনশীলতা+ডিসিপ্লিন্ড লাইফের জন্য এই বইগুলো নাকি দারুণ, জোস।

সেইভ দ্য ক্যাট!: দ্য লেটেস্ট বুক অন স্ক্রিনরাইটিং ইউ উইল এভার নিড

ব্লেইক স্নাইডার-এর বই। বিড়ালের গলায় ঘন্টা পড়াবেন কিভাবে তা জানা যাবে নাকি এই বই থেকে। কিংবা বিড়ালকে কিভাবে নাচাবেন তাই জানতে পারবেন এই বই থেকে! গুডরিডসে এই বইয়ের পাশে রেটি ৪+ দেখে আসলেই চমকে যাবেন।  বইটা নাকি আসলে punchy আর fast read টাইপের।

দ্য আর্ট অব স্টোরিটেলিং: ইজি স্টেপস টু প্রেজেন্টিং অ্যান আনফরগেটবল স্টোরি

জন ডি ওয়ালশ-এর বই। প্রত্যেক মানুষেরই বিভিন্ন রকমের নানান রঙের গল্প থাকে। সেই গল্প আপনি কিভাবে বলছেন তার চেয়ে আপনাকে যাকে বলছেন সে কিভাবে শুনছে-দেখছে তাই বেশি গুরুত্বপূর্ণ। সেই স্টেপসগুলো নিয়েই এই বই।

রিওয়ার্ক

জেসন ফ্রাইড ও ডেভিড হ্যানসন-এর বই। ব্যবসা-দুনিয়ার বই। বইটাতে ব্যবসায় কিভাবে কম কাজে বেশি কাজ করা যায় তাই বলা আছে। Don’t copy competitors, Decomodify your product, Pick a fight আর Do less and be easier to use বিষয় সম্পর্কে সেই লেভেলে লেখা আছে নাকি।
Create something new আর Say no by default নিয়ে লেখা আছে বলে এবছর আমার পড়ার লিষ্টে বইটা আছে।

 

শশী ভাই আরও যে বই পড়ার রেফারেন্স দিয়েছেন:
অন ডিরেক্টিং
মডার্ন ওয়ার্কশপ অন স্ক্রীপ্টিং
The Modern Library Writer’s Workshop.

 

 

 
 
Hi! Myself Aashaa Zahid.
Basically, I’m a Transporter of Happiness. An average son of a great parent. An average man.
You could knock me, text me, ping me for nothing!
-- Stay cool. Embrace weird.
Total 1,195 views. Thank You for caring my happiness.

That 46 Rules of Genius

“Make a sketch, construct a model, or assemble a prototype. Then another. And another. With each attempt, you’ll reveal new possibilities for innovation. Your mind will talk to your hands, and your hands will talk to your mind. This dialogue is called generative thinking, and it happens only when you’re making something. It’s the active ingredient of design.”

I find the lines from The 46 Rules of Genius: An Innovator’s Guide to Creativity by Marty Neumeier. Marty is an awesome writer.

If you read this book you could get this types of lines as a rule for easy and positive lifestyle. I download this book for learning something about the Rules, the book is cool and easy going sense.

The_46_Rules_of_Genius

The book divided into four segments, Part 1, How can I innovate? This offers insightful guidance such as Feel before you think, See what’s not there, and Ask a bigger question. Rule #1 gives the paradoxical advice: Break the rules.

The first rule is, Break the Rules.

The last rule is, Create a new Rule.

Part 2, How should I work? offers down-to-earth tips on crafts.

In Part 3, How can I learn? contains practical advice including Do your own projects, Invest in your originality, and Develop an authentic style.

Finally, Part 4, How can I matter? deals with the deeper questions of a career in creativity, such as Overcommit to a mission, Build support methodically, and Become who you are.

After finishing the book you should realize like me,

“There is no great genius without a mixture of madness. —Aristotle”

Hi! Myself Aashaa Zahid.
Basically, I’m a Transporter of Happiness. An average son of a great parent. An average man.
You could knock me, text me, ping me for nothing!
-- Stay cool. Embrace weird.
Total 400 views. Thank You for caring my happiness.

ফাইনম্যানের গো! অ্যাক্ট! ডু! স্টাইল

রিচার্ড ফাইনম্যান, যারা আদি পদার্থবিজ্ঞান ছাড়া বিজ্ঞান দুনিয়ার খোঁজ-খবর রাখেন তাদের কাছে বেশ পরিচিত একটা নাম। রসিক বিজ্ঞানী হিসেবে দারুণ জনপ্রিয়তা তার। Surely You’re Joking, Mr. Feynman তার বায়োগ্রাফি, সেই লেভেলের দারুণ একটা বই। স্টিভ জবসের বায়ো পড়ার পরে আর কার বায়ো পড়বো তখনই ফাইনম্যানের বায়ো পড়া শুরু করি। সৈয়দ মুজতবা আলী যে স্টাইলে লিখতেন ফাইনম্যানও সেইম, ফাইন-কুল।
ফাইনম্যান যে কোন কিছুই দারুণভাবে শিখতেন। ইন্টারনেটে ফাইনম্যান স্টাইলে পড়াশোনা লিখে সার্চ করলে দারুণ-দারুণ আর্টিকেল পাওয়া যায়।

You'reJokingউদাহরণ তৈরির মাধ্যমে শিখতে ইয়াং ফাইনম্যান
স্কুলে থাকতেই জ্যামিতির বিভিন্ন উপপাদ্য নিজের মতো করে তৈরি করতো ফাইনম্যান। যে কারণে কলেজে ফাইনম্যান অন্য বন্ধুদের চেয়ে দ্রুত জ্যামিতি বুঝতো। আর বীজগণিতের সমস্যা নিজের মত করে উদাহরণ দিয়ে শিখতেন ফাইনম্যান, যে কারনে যে কোন সমস্যাকে তিনি উদাহরণ দিয়ে নিজের মত করে বুঝে নিতেন।
আমাদের পড়াশোনার সমস্যা হচ্ছে আমাদের অন্যরা উদাহরণ তৈরি করে দেয়। ফাইনম্যান অন্যের তৈরি উদাহরণের চেয়ে নিজের তৈরি উদাহরণের মাধ্যমে জানাকে গুরুত্ব দিতেন।
নিজ বায়োতে ফাইনম্যান লিখেছেন,
‘আমার একটা উপায় ছিল, যা কিনা আমি এখনও ব্যবহার করি। কেউ আমাকে কিছু বোঝানোর চেষ্টা করলেই তা আমি নিজের মত উদাহরন তৈরি করে বোঝার চেষ্টা করি।’
ফাইনম্যান তার বইয়ে লিখেছেন,
‘আপনি দেখবেন শিক্ষার্থীরা পরীক্ষায় পাশ করে যায়, সব কিছুই তারা শিখে ফেলে এবং তারা আসলে যা মুখস্থ করে তা ছাড়া কোন কিছুই  আর জানে না।’
রেস্ট অব দ্য ওয়ার্ল্ড
এমআইটি থেকে আন্ডারগ্র্যাড শেষের পরে এক অধ্যাপক ফাইনম্যানকে রেস্ট অব দ্য ওয়ার্ল্ডে কি হচ্ছে তা জানার কথা বলেন। ফাইনম্যান এরপরে প্রিন্সটনে পড়াশোনা শুরু করেন। নিজের ফিজিক্সের পড়াশোনা ছাড়া বায়োলজি নিয়ে অনেক দিন পড়েছেন ফাইনম্যান। শুধু তাই নয় নিরস দর্শন নিয়ে জানতে প্রিন্সটন বিশ্ববিদ্যালয়ে ফিলোসফি ক্লাসে নিয়মিত হাজিরা দিতেন তিনি।
গো! অ্যাক্ট! ডু!
নারীদের সঙ্গে আড্ডা জমাতে এই বুদ্ধি খাটাতেন ফাইনম্যান। তার ভাষ্যে, নিজের কমফোর্ট জোনের বাইরে গিয়েই আসলে নিজেকে সামনে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার সুযোগ মিলে।

 

বইটা যতটুকু পড়া শেষ করেছি তাতেই অনেক জায়গাতেই নিজে থেকে মনে হচ্ছে,

Surely You’re Joking, Mr. Feynman!

শেষটার জন্য অপেক্ষায় থাকছি।

Hi! Myself Aashaa Zahid.
Basically, I’m a Transporter of Happiness. An average son of a great parent. An average man.
You could knock me, text me, ping me for nothing!
-- Stay cool. Embrace weird.
Total 1,229 views. Thank You for caring my happiness.

Jump out of Bed!

Wake Up!

Jump out of Bed!

Yes, I mean Jump!
It’s time to Hustle, Grind and Work for your dreams!

I don’t care if you don’t feel like it or if you’re feeling tired or anxious about life…Get Up and Get To Work!

Nobody cares if you don’t feel like it or if it’s all too hard or overwhelming…that’s make believe and just another story you keep telling yourself so you don’t have to produce anything or get results…maybe you should just be honest with yourself and tell it how it is…..You’re LAZY!

Until you wake up and Hustle…Nothing is going to happen!

Nothing you want can happen and you’re just going to continue to lower your expectations year on year until you convince yourself that you’re happy being a nobody who never did anything significant with their time on this planet!

Nobody can do it for you and you’ve got to stop waiting and wishing and start, just start waking up earlier to work on your self and your own ideas and your biggest dreams.

Waking up to the hustle and knowing that I’ve only got a brief moment on this planet to do everything I want to do and to make a lasting impact in the lives of millions of people forces me to wake up At ridiculous hours because what i’m building is far greater than me…it’s far greater than my own self-importance!

I don’t have an option!

I don’t have the luxury of being lazy or sleeping in or wasting time…because I’ve got to hustle until my last breath on this planet to make my dream a reality and make the impact I was born to make.

It’s a privilege to wake up to the hustle, but for some of us…it’s all we know!

I find this post on Instagram.

Hi! Myself Aashaa Zahid.
Basically, I’m a Transporter of Happiness. An average son of a great parent. An average man.
You could knock me, text me, ping me for nothing!
-- Stay cool. Embrace weird.
Total 310 views. Thank You for caring my happiness.

Some uncommon ways to work smarter

I don’t invent these ways, I just love the ways as precious life hacks. I find this tricks in a post on Quora. These ways are just awesome and fun, inspiring too.

  • Get enough rest and sleep, even when you are behind
  • Use a Kanban board (It’s cool!)
  • Say NO. (In my personal life I don’t follow this, If I wish!)
  • Procrastinate, but not until the last minute.
  • Delegate!
  • Don’t be a perfectionist. Expect the “first draft” of any project to be shitty.
  • Increase your typing speed.
  • Use the 80/20 Principle. Analyze the work before you start.
  • Set a deadline.
  • Don’t multi-task. Multi-tasking is a crime.
  • Use a time management system, such as GTD.
  • Exercise, even when you think you don’t have the time.
  • Believe that you can do it.
  • Eat that frog“: Do the most difficult or the task you hate the most first.
  • Do not sit in the same place for long stretches of time.

If you wish to add something more, you could knock me. I appreciate it.

Hi! Myself Aashaa Zahid.
Basically, I’m a Transporter of Happiness. An average son of a great parent. An average man.
You could knock me, text me, ping me for nothing!
-- Stay cool. Embrace weird.
Total 249 views. Thank You for caring my happiness.

20 Ways to Decide Long-Term Work

I find this awesome post on a discussion board of BabsonX. User RandaCD post this post.
1) Talk with others in similar work
2) List out all possible options and rank them based on various criteria
3) Seek input from outside sources
4) Ask the locals what they would do
5) List out all the options, close my eyes, and just pick one and then GO with it.
6) Find someone who is doing something that is one of my possibilities and shadow them for a time to see if it’s something I should pursue
7) Take some skills and giftings tests to see what comes out on top and then pick the best option forward that fits these skills/gifts
8) Seek counseling to make this decision
9) Google life decisions and see what comes up to help make a decision
10) Write out the list, close my eyes, put my finger somewhere and follow whatever my finger lands on


11) Fast and pray about the decision and follow what comes out of that time
12) Seek God’s wisdom from the Bible and follow what seems to fit.
13) Don’t make any changes, only do what I’ve been doing
14) Look for the “Dummies” book on this and follow their advice
15) Get career guidance
16) Read books about life work decisions
17) Ask those who have authority in my life what I should do and follow their input/advice/direction.
18) Sing a song, twirl in a circle, and pursue the first thing that comes to mind as I sit down.
19) Sleep on it
20) Take a vacation and make a decision afterwards.

 

 

Really a cool post.

Hi! Myself Aashaa Zahid.
Basically, I’m a Transporter of Happiness. An average son of a great parent. An average man.
You could knock me, text me, ping me for nothing!
-- Stay cool. Embrace weird.
Total 291 views. Thank You for caring my happiness.

থিংকিং লাইক অ্যা ট্র্যাভেলার

থিংকিং লাইক অ্যা ট্র্যাভেলার, পরিব্রাজকের মত ভাবনা-কথাটা প্রথম শুনি আমি স্ট্যানফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের ডিজাইন থিংকিংয়ের উপর একটি ক্লাসের ভিজ্যুয়ালে। আইডিইওর জেনারেল ম্যানেজার টম কেলি একথা বলেন। নতুন কিছু উদ্ভাবনের জন্য সবাইকে পাঁচটা অভ্যাস করার পরামর্শ দেয়ার সময় প্রথম পরামর্শ হিসেবে তিনি এ কথা বলেন-থিংক লাইক অ্যা ট্র্যাভেলার।

তো থিংকিং লাইক অ্যা ট্র্যাভেলার মানে কি?

আমরা যখন বিদেশে ঘুরতে চাই, তখন কি করি? বিদেশে ঘুরতে গেলে সব কিছুই খুটিয়ে খুটিয়ে খেয়াল করি আমরা। আমাদের মস্তিষ্ক তখন যা দেখে তাকেই মনে রাখে, চিনে ফেলে, গল্পের ছবি হিসেবে মনে রাখে। অন্য দেশে গেলে মানুষ কিভাবে চা খায়, কফি খায়, জুতার ফিতা পরে তার সবই আমরা খেয়াল করি, মনে রাখি। আর নিজ এলাকায় সারাদিন কেমন জানি একটা ঘোরের মধ্যে চলি আমরা, বাসা-অফিস কিংবা বাসা-ক্লাস, একটা ঘোরের মধ্যে চলাই যেন সব। আর অন্য জায়গায় ঘুরতে গেলে প্রতিটি সেকেন্ডই যেন আমরা মনে রাখার চেষ্টা করি। এমনকি রাঙামাটি ঘুরতে গেলেও কিন্তু আমরা প্রতিটিই সেকেন্ডই মনে রাখি। ডিজাইন থিংকিং নিয়ে যারা পড়াশোনা করেন তারা থিংক লাইক অ্যা ট্র্যাভেলার অভ্যাসটিকে গড়ে তোলেন সবার প্রথমেই।

কেন থিংকিং লাইক অ্যা ট্র্যাভেলার?

নতুন আইডিয়া কিভাবে আসে, এই প্রশ্নের গোড়ায় থিংক লাইক ট্র্যাভেলার্স সেন্স ব্যবহার করলে নাকি দারুণ কাজ হয়। বিষয়টা অনেকটা এই রকম, নতুন আইডিয়ার বেশির ভাগই আমাদের চোখের সামনে খুব সরল ভাবে কোন না কোন সমস্যার মধ্যে লুকিয়ে থাকে। একঘেঁয়ে জীবনের কারণে সেই সমস্যাগুলো নিয়ে ভাবনার সময় নেই আমাদের, ভাবনা যেহেতু নেই সেহেতু নতুন আইডিয়াও নেই; আছে শুধু কাট-কপি-পেষ্ট। পরিব্রাজকদের মত ভাবার অভ্যাসে সাধারণ সমস্যাগুলো থেকেই অসাধারণ সব আইডিয়া চলে আসে। ট্যাক্সি সার্ভিস উবারের শুরুর গল্পটা কিন্তু এই ধরণেরই। প্যারিসে ট্যাক্সি না পেয়ে ট্র্যাভিস কালানিক তো উবার তৈরির ধারণা পেয়ে যান।

যে কারণে থিংক লাইক ট্র্যাভেলার্স?

টম কেলি থিংক লাইক অ্যা ট্র্যাভেলার্স থিমে ওরাল-বি টুথপেস্টের একটা গল্প শেয়ার করেছিলেন। ওরাল-বি বাচ্চাদের জন্য টুথব্রাশ ডিজাইনে কি নতুন আইডিয়া আসতে পারে তা নিয়ে বিপত্তিতে পড়েছিল। বাচ্চাদের জন্য ব্রাশ চিকন হবে কলমের মত, না ছোট হবে-কি হবে? শেষে, দেখা গেল বাচ্চাদের ব্রাশ আঁকারে বড় হলেই তা বাচ্চাদের ব্যবহার উপযোগি হয় বেশি। পাঁচ বছরের বাচ্চাদের দাঁতব্রাশের স্টাইল দেখে এই ধারণা মিলেছিল।
প্রতিদিন একই ভাবে ভাবনার কারণে আমরা মাথায় এমন একটা মেকানিজম ডেভলপ করি যা কিনা নতুন আইডিয়া খুঁজতে অনিচ্ছুক হয়। কিন্তু, আপনি যদি  থিংকিং লাইক ট্র্যাভেলার্স অভ্যাস আয়ত্ব করতে পারেন তাহলে প্রতিদিনকার সমস্যা থেকেই দারুণ থিংক খুঁজে পাবেন।

Hi! Myself Aashaa Zahid.
Basically, I’m a Transporter of Happiness. An average son of a great parent. An average man.
You could knock me, text me, ping me for nothing!
-- Stay cool. Embrace weird.
Total 1,402 views. Thank You for caring my happiness.

20 ways to get a high income without having a college degree

I find this awesome from a discussion board of Babson College’s X course. User aashanqeeti share this post.

1- Learn Programming, Learn Web Development
2- Learn Design
3- Create a storage company
4- Expand your network on linked in
5- Search for services jobs
6- Invent something
7- Write a book
8- Create a blog
9- Work as a Digital Marketer


10- Create a youtube channel
11- Get some professional certificates
12- Create an online store
13- Create an Instagram business profile
14- Try to be famous by any mean so that you can get money by marketing
15- Create a traveling services company
16- Create a training company
17- Go for Stocks
18- Present a project idea to a big entrepreneur
19- Create movie content
20- Be a singer

Hi! Myself Aashaa Zahid.
Basically, I’m a Transporter of Happiness. An average son of a great parent. An average man.
You could knock me, text me, ping me for nothing!
-- Stay cool. Embrace weird.
Total 322 views. Thank You for caring my happiness.

গণিত উৎসবে নিয়ে নয়

আমি ২০০৮ সালের গণিত উৎসবে ভলান্টিয়ার-মুভার্স হিসেবে স্বেচ্ছাসেবি হিসেবে অংশ নিয়েছিলাম। সেই শুরু, এবারে ২০১৭। যাত্রা চলছেই, চলবে।
২০০৮ সালে তখন নবী ভাই, সুব্রতদা, জুয়েল ভাই, হাছিব ভাইরাই ছিল সব। আর সবার উপরে তো (৬তালায় থাকতো) মুনির হাসান। ঢাকার আঞ্চলিক উৎসব আর জাতীয় উৎসবেই ছিল মুভার্স হিসেবে দৌড়াদুড়ি। আহ, কি সেই দিন। পরীক্ষার হলে গার্ড দেয়া আর স্টেজের পাশেই দাড়ানো ছিল কঠিন দায়িত্ব। এভাবেই ২০০৯ চলে যায়।
এরপরে আসে ২০১০, সেবার প্রথম সুব্রতাদার সঙ্গে যাই গোপালগঞ্জে প্রাক-প্রস্তুতির অংশ হিসেবে। সেবারই প্রথম গোপালগঞ্জে গণিত উৎসব হয়, আমারও ঢাকার বাইরে গণিতের কাজে যাওয়ার প্রথম সুযোগ। রঙিন এখনো, মাওয়া ঘাট পাড় হওয়া তো এই তো সেদিনের রাতের কথা মনে হয়। ‘সুব্রতদা আশার সঙ্গে কোথায় যাচ্ছে?’-এ নিয়ে তার তৎকালিন বান্ধবী-বর্তমান জীবনসঙ্গীনি রুপন্তিদিরও তো রাগারাগি গণিতের মুভার্সদের কাছে এখনও বেশ চেনা।

 

MO7_1
ছোটবেলার ছবি, ২০০৯ সালের!

২০১১-২০১২-২০১৩-২০১৪-২০১৫-২০১৬, রঙ ছিটানো-ছড়ানো বছর আমার। বরিশাল, পটুয়াখালি, সিলেট, জামালপুর, ফেনী, চট্টগ্রাম, বরগুনা, রাজশাহী, মৌলভীবাজার, ময়মনসিংহ, কুষ্টিয়া, যশোর, খুলনা-৩০টা তো জেলায় গণিত উৎসবের কাজে তো গেছিই। খুব আগে মুভার্স হিসেবেই দৌড়াদুড়ি করতাম, গেল কয়েক বছর উৎসবের সংখ্যা বেড়ে যাওয়ায় কয়েক জায়গায় তো মঞ্চে অনুষ্ঠান সমন্বয়কের কাজও করতে হয়েছে। জীবন রঙিন এখানেই আমার, প্রতি বছর নানান অভিজ্ঞতার রেশ পাই।
২০১০ সাল থেকে নানা উৎসবের অভিজ্ঞতা নিয়ে প্রথম আলোর গণিত ইশকুল পাতায় লেখার অভিজ্ঞতাও দারুণ। নতুন অভিজ্ঞতা, নতুন রঙ-রাঙানো সময়, নয় বছরই তো।

 

জুয়েল ভাই লোকটাকে কি যে জ্বালাইতেছি, চলছেই।

নয় বছর, এর মধ্যে এমন কয়েকজন শিক্ষার্থীকে চিনেছি যারা আগে প্রাইমারি ক্যাটাগরিতে পরীক্ষা দিত, এখন একাডেমিক দলের সদস্য! আর আইএমও টিমের সদস্যরা তো আছেই।
“গণিত উৎসব আমাকে কি দিয়েছে?”-এই প্রশ্নের উত্তরে আমি চুপ-চাপ থাকি; সবাই ভাবে তেমন কিছুই দেয় নাই। আমি আসলে চুপচাপ ভাবি, সংখ্যায় কি দিয়েছে তাহা বলা মুশকিল।

যে নয় নিয়ে গণিত উৎসবে আমার এবার ৯ বছরের চলাচল

১. গণিত অলিম্পিয়াডের কারণেই আমি প্রথম ভারত ও শ্রীলংকা যাওয়ার সুযোগ পাই।

২. যে কোন নতুন মানুষের সঙ্গে পরিচয় হওয়ার সময় গণিত উৎসবের কথা থাকবেই আমার।

৩. ডিসেম্বর-জানুয়ারি-ফেব্রুয়ারি, আমার দুনিয়া একদিকে-গণিত উৎসব আরেক দিকে।

৪. নতুন নতুন মানুষের সঙ্গে এক গণিত উৎসবের কারণে পরিচয় হয় তা কি টাইপ করে লেখা যায়?

৫. হাজার হাজার জায়গায় ভলান্টিয়ারিং না করে, একটা জায়গাতে যুক্ত হয়ে যাওয়া বুদ্ধিমানের কাজ।

৬. গণিত উৎসবের কারণে গণিত ইশকুলে লেখার সুযোগ, প্রথম আলোয় নাম-অসাধারন অভিজ্ঞতায় বলা যায়।

৭. জুয়েল ভাই, রকি ভাই, সুব্রত দা, সুমন দা-হাতে তুলে নিয়ে গেছে আমারে।

৮. অর্ধেক দেশ ঘুরেছি এই উৎসবের নামে।

৯. মুনির হাসানকে অনুসরণ, দারুণ অভিজ্ঞতা।

Hi! Myself Aashaa Zahid.
Basically, I’m a Transporter of Happiness. An average son of a great parent. An average man.
You could knock me, text me, ping me for nothing!
-- Stay cool. Embrace weird.
Total 1,040 views. Thank You for caring my happiness.