বেঁচে থাকার জন্য উইনস্টন চার্চিলের স্পেস মডেল জানেন কি?

১৯৩১ সালের কথা। উইনস্টন চার্চিল ব্রিটিশ রাজনীতিতে পুরো কোনঠাসা হয়ে পড়েছিলেন। বিরোধীপক্ষ ছাড়াও নিজের দলের থেকৈ ভীষণ চাপে পড়েছিলেন চার্চিল। এমন কি তুখোড় রাজনীতিবিদ হওয়ার পরেও চার্চিলকে মন্ত্রীসভায় আমন্ত্রণ জানানো হয় নি। চার্চিল বাতিল আর সেকেলে বলে নিগ্রহের শিকার হন। সবাই দেখছিল কিভাবে সব হারিয়ে প্রায় শূণ্য হয়ে যান চার্চিল।
বাতিল হয়ে যাওয়া চার্চিলের রাজনীতির শেষ দেখে ফেলেছিলেন অনেকেই। সেই সময়টা চার্চিলের জায়গায় আমরা থাকলে হারিয়ে যেতাম হতাশায়। চার্চিলের ওপর কি হতাশা ভর করেছিল?
এখন আমরা চার্চিল ব্রিটিশ রাজনীতিবিদ পরিচয়ের বাইরে লেখক হিসেবে পরিচয় দেখি। সারা জীবনে চার্চিল ১০ লাখ শব্দ লিখেছিলেন! সেই চার্চিল তার ক্যারিয়ারের সবচেয়ে খারাপ সময়টায় ১৯৩১ সালের পরের হতাশা কাটিয়েছেন স্পেস মডেল দিয়ে!

স্পেস মডেল কি?

রাজনীতি পরিমন্ডল থেকে চার্চিল ১৯৩১ সালের পরে নিজেকে সরিয়ে নেন। আসলে সরিয়ে নেয়া ছাড়া কি-ই-বা করার ছিল? এ সময় রাজনীতি থেকে নিজেকে সরিয়ে অন্য দুনিয়া গোছানোর জন্য মনোযোগ দেন চার্চিল। ১৯৩৯ সালের আগে তিনি ১১ খন্ড বই প্রকাশ করেন, ৪০০+ আর্টিকেল প্রকাশ করেন। আর নানান সুধী সমাবেশে ৩৫০+ বক্তব্য রাখেন। নিজেকে অন্য দিকে ব্যস্ত রেখে হতাশা কাটানোর দুর্দান্ত উপায় বের করেন চার্চিল। সেই স্পেস মডেলের জোরেই কিন্তু চার্চিল আবারও রাজনীতিতে মনোযোগ আনতে পারেন। সাময়িক বিরতি, দুশ্চিন্তা কিংবা হতাশা কাটানোর বেশ বড় একটি উপায় হতে পারে। যেটা আমরা কর্মজীবনে কিংবা যে কোন ক্ষেত্রে সমস্যা তৈরি হলে মডেল হিসেবে কাজে লাগাতে পারি।
(এখন চার্চিলয়ের বায়োগ্রাফি পড়ছি। তাই সেখান থেকে নিজের মতো করে নিজের জন্য লেখা থেকে এই পোস্ট।)

মুদ্রার উল্টো পিঠের যে গল্প

লেখালেখির মাধ্যমে চার্চিল আসলে নিজের অন্য একটি সুপারপাওয়ার তৈরি করেছিলেন। সবাই তো রাজনীতিবিদ হয়, কিন্তু লেখক+রাজনীতিবিদ কতজন হয়? দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় লেখনিওয়ালা চার্চিল বেশি শক্তি নিয়ে রাজনীতিতে প্রবেশ করেন। শব্দ আর বাক্যকে নিজের সুপারপাওয়ার হিসেবে ব্যবহার করেন চার্চিল। এই আচরণকে রাজনীতিবিদদের মনস্তাত্বিক ইনস্যুরেন্স পলিসি বলা যায়, যা কিনা ইনফ্লুয়েন্স বাড়ানোর অস্ত্র। আপনার অস্ত্র কি?

জ্যাকারবার্গের শুরুতে ছিল হার্ভার্ড ডর্মের বন্ধুরা, স্টিভ জবস-ওজনিয়াকের ছিল কম্পিউটার ক্লাবের বন্ধুরা, নাইকির ফিল নাইটের ছিল ৩/৪জন পাগলাটে বন্ধু! আপনার?

১০০০ লোক যখন শক্তি!

চার্চিলের এগিয়ে যাওয়ার প্ল্যাটফর্ম ছিল তার লেখালেখি। লেখালেখির মাধ্যমে নিজের ভক্ত কিংবা ভোটার ধরে রাখার কৌশল বলা যায় না একে? আপনি যদি উদ্যোক্তা হতে চান, তাহলে ১০০০ মানুষকে নিজের পণ্য বা সেবা কেনাতে পারবেন? আমাদের মাথায় বিলিয়ন ডলার আইডিয়া থাকে, কিন্তু সেই আইডিয়ার উপর নির্ভর করে তৈরি পন্য বা সেবা ১০০০ হাজার লোক গ্রহণ করবে কিনা তা আমরা জানি না।

Read More: বাংলাদেশ আর্মি থেকে যেসব নেতৃত্বগুণ শিখতে পারেন
প্রথম ১০০০ ভক্ত বা গ্রাহক কিংবা ভোটার তৈরি করাই কিন্তু আসল পরিশ্রম!
আশির দশকের ব্যান্ড আয়রন মেইডেনের রেডিওতে গান বাজানো হতো না। এমনকি এমটিভিও নাকি তাদের গান বাজাতো না তখন। সেই আয়রন মেইডেন নব্বই দশকে গানের অ্যালবাম মিলিয়ন কপি বিক্রি করেছে কোন মাধ্যম ছড়াই! আয়রন মেইডেনের ভক্তদের নাকি বিশাল এক ইমেইল লিস্টি তাদের সংগ্রহে ছিল, সেই মেইল লিস্টি দিয়েই আয়রন মেইডেন মিলিয়ন ডলারের অ্যালবামে সাফল্য পায়।

Read More: সাইফ নোমান খানের রেকমেন্ডেড যত বই

শোবিজ দুনিয়ায় যে থিওরী চলে

উইয়ার্ড ম্যাগাজিনের প্রতিষ্ঠাতা কেভিন কেলির একটা এন্টারটেইনমেন্ট থিওরী ব্যবসায়ী, উদ্যোক্তা কিংবা লেখক বা যে কেউই অনুসরণ করতে পারেন। কেলির ভাষ্যে, “আপনার যদি ১০০০ সত্যিকারের ভক্ত থাকে আপনি সুপার ম্যান। আপনি যাই সৃষ্টি করুন না কেন, তা দর্শন, চিত্রশিল্পী কিংবা রাজনৈতিক আদর্শ-এক হাজার লোক আপনার ট্রু ফ্যান হলেই আপনি সামনে এগিয়ে যেতে পারবেন।”
জ্যাকারবার্গের শুরুতে ছিল হার্ভার্ড ডর্মের বন্ধুরা, স্টিভ জবস-ওজনিয়াকের ছিল কম্পিউটার ক্লাবের বন্ধুরা, নাইকির ফিল নাইটের ছিল ৩/৪জন পাগলাটে বন্ধু! আপনার?
এই এক হাজার মানুষই আসলে আপনার বিলিয়ন ডলার আইডিয়া কিংবা লাখো পাঠক তৈরি করবে। এটা ডমিনো থিওরী না?
আপনার পণ্য কিংবা সেবা নির্ভর উদ্যোগের সাফল্য আসলে নির্ভর করে আপনি কতটুকু আপনার ভক্তদের মধ্যে ইঞ্জিনিয়ারিং করতে পারেন!

Hi! Myself Aashaa Zahid.
Basically, I’m a Transporter of Happiness. An average son of a great parent. An average man.
You could knock me, text me, ping me for nothing!
-- Stay cool. Embrace weird.
Total 192 views. Thank You for caring my happiness.

বই-টই: দ্য লিন স্টার্টআপ

আপনি যদি ব্যর্থ না হন, তাহলে শিখতে পারবেন না-এরিখ রেইসের লিন স্টার্টআপ বইয়ের একটি কথা। এসময়কার উদ্যোক্তাদের কাছে বেশ পরিচিত বই-দ্য লিন স্টার্টআপ। এই বইয়ের মূল কথা হচ্ছে, “তৈরি করুন-পর্যবেক্ষণ করুন-শিখুন”-যে কোন স্টার্টআপকে বড় করে তুলতে এই মডেল দারুণ কার্যকর।

(বইটা দারুণ হলেও আমার কাছে বেশ বোরিং মনে হয়েছে। সম্ভবত, একই ধরণের অনেক বই পড়ার কারণে বইটি একটু নিরস মনে হয়েছে।)

লিন স্টার্টআপের মূলধারণা
সবখানেই কিন্তু উদ্যোক্তা আছেন, যে প্রতিষ্ঠান কিংবা যে ক্ষেত্রেই কাজ করুন না কেন-উদ্যোক্তারা সবখানেই ছড়িয়ে আছে।

the-lean-startup

  • এন্ট্রাপ্রেনিউরশিপ হলো ম্যানেজমেন্ট, আর স্টার্টআপ হলো একটি প্রতিষ্ঠান যা আপনাকে ম্যানেজ করতে হবে।
  • স্টার্টআপগুলো টিকে যায়, শুধু ব্যবসা কিংবা পণ্যের সাফল্যের জন্য না, সাসটেইনেবল ব্যবসা তৈরি করার জন্য।
  • Build-measuer-learn: যে স্টার্টআপই দিন না কেন, আপনার আইডিয়াকে পণ্যে কনভার্ট করতে হবে। তারপরে কাস্টমার তা নিয়ে কেমন আগ্রহ প্রকাশ করে তা পর্যবেক্ষণ করতে হবে, সব শেষে শিখতে হবে কিভাবে আগ্রহকে ধরে রাখতে হবে।

ls2

লিন স্টার্টআপ থেকে…
* স্টার্টআপের ক্ষেত্রে সাফল্য আসলে “পন্য বা সেবা ডেলিভারি করা নয়, সাফল্য আসলে কাস্টমারের কোন সমস্যা সমাধান” হিসেবে চিন্তা করতে হবে।
* বেশির ভাগক্ষেত্রেই কাস্টমার জানে না তারা আসলে আগে কি চায়।
* আপনি যদি আপনার কাস্টমার কে তা না জানেন তাহলে আপনি কোয়ালিটি কি তা জানেন না।
* প্রতিটি বাঁধাই কিছু না কিছু শেখার সুযোগ কিন্তু।

LS1

Hi! Myself Aashaa Zahid.
Basically, I’m a Transporter of Happiness. An average son of a great parent. An average man.
You could knock me, text me, ping me for nothing!
-- Stay cool. Embrace weird.
Total 127 views. Thank You for caring my happiness.

ভালো বনাম দুর্দান্ত, কোনটি বেঠিক?

জেনারেল জর্জ প্যাটুন, দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময়কার মিত্রপক্ষের প্রভাবশালী এক জেনারেল ছিলেন। যুদ্ধের কৌশল আর ইতিহাস নিয়ে যারা আগ্রহী তাদের কাছে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের এই জেনারেল বেশ পরিচিত। মিত্রপক্ষের সেভেন্থ আর্মির নেতৃত্ব দিয়েছিলেন প্যাটুন। প্যাটুনের বায়োগ্রাফি দ্য ওয়ার আই নিউ ইট পড়ছি এখন, দুর্দান্ত বই। রণকৌশল কিন্তু দৈনন্দিন জীবনে চলার পথে বেশ ভালো ভাবেই কাজে লাগানো যায়। সেই বইয়ের প্রথম ৪ চ্যাপ্টার পড়ে কিছু লাইন দাগিয়ে রেখেছি, দুর্দান্ত সব কথা!

এখনকার ভালো পরিকল্পনা আগামী সপ্তাহের দুর্দান্ত পরিকল্পনার চেয়ে কার্যকর বেশি।

জেনারেল প্যাটুন ‘প্যারালাইসিস বাই অ্যানালাইসিস’ বিষয়টি এড়িয়ে যেতেন। কোন বিষয় নিয়ে বেশি অ্যানালাইসিস কখনই কাজের না মনে করতেন তিনি। অনেক সময় নিয়ে দুর্দান্ত কোন যুদ্ধ পরিকল্পনার চেয়ে ভালো আর সাধারণ পরিকল্পনা যুদ্ধের ক্ষেত্রে এগিয়ে নিয়ে যায়।

নেতৃত্ব দিন, নেত্বত্ব দিতে দিন কিংবা পথ থেকে সরে দাড়ান। 

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের রণাঙ্গনে অনেক জেনারেল যুদ্ধ করেছিলেন। এক বনে হাজারখানেক বাঘ থাকলে যে ঝামেলা হয়, সেই ঝামেলা তখনও ছিল। জেনারেল প্যাটুন নিজের ইউনিট নিয়ে নেতৃত্ব দিয়ে যুদ্ধ করতে চাইতেন। সিনিয়ররা তার যুদ্ধের স্টাইলকে পছন্দ না করলে প্যাটুনের সরাসরি কথা ছিল “নেতৃত্ব দিন”। আমরা কাজের ক্ষেত্রে এটা অনেক দেখি। আপনি দলগতভাবে কোন কাজ করছেন। উর্ধ্বতন কর্তারা আপনাকে বেশিরভাগ সময় নেতৃত্ব দিতে দিবে না, আমার নিজেরাও নেতৃত্ব দিবে না।

যা আদেশ দিচ্ছেন তা নিজে করছেন কি?

জেনারেল প্যাটুন সেই ধরণের যোদ্ধা ছিলেন না যে তাঁর দলকে আদেশ দিয়ে নিজে তাবুতে সময় কাটাতেন।  নিজের ব্যাটেলিয়ানে তার বেশ জনপ্রিয়তা ছিল সৈনিকদের নিয়ে কাজ করার জন্য।

আরও পড়ুন: বাংলাদেশ আর্মি থেকে যেসব নেতৃত্বগুণ শিখতে পারেন

যা বলছেন তা কি বুঝে বলছেন? যা বুঝছেন তা কি বলছেন?

আমি এই লাইনটাকে দারুণ বলবই। আমি দলগতভাবে অনেক কাজ করি। প্রায়শই যা বলি তা বুঝে বলি না, যে কারণে দলের সদস্যরা আমার কথা বোঝে না। আবার যা বুঝি তা পরিষ্কারভাবে বলতে দ্বিধায় থাকি, যার কারণে কমিউনিকেশনে ধোঁয়াশা তৈরি করি নিজেই।

“Never tell people how to do things. Tell them what to do and they will surprise you with their ingenuity.”

বলতে গেলে সাত সমুদ্র এক মিনিটেই পাড়ি দেয়া যায়। মুখের কথায় চিড়ে ভিজে না, বাস্তবে? দলগতভাবে কাজের ক্ষেত্রে, যা দলের সদস্যদের করতে হবে তা করতে বলুন। কিভাবে করতে হবে, সেটা বলতে গেলেই মাইক্রোম্যানেজমেন্ট জটিলতায় আটকে যাবেন কিন্তু।

“Better to fight for something than live for nothing.” 

কোন কিছু না করার থেকে কিছু করে বেঁচে থাকা আনন্দের।

 

শেষ যে লাইনটি জেনারেল প্যাটুনের কাছ থেকে জেনেছি, “When in doubt, ATTACK!” 

 

Hi! Myself Aashaa Zahid.
Basically, I’m a Transporter of Happiness. An average son of a great parent. An average man.
You could knock me, text me, ping me for nothing!
-- Stay cool. Embrace weird.
Total 411 views. Thank You for caring my happiness.

এক কাপ বই: গ্রোথ হ্যাকার মার্কেটিং

(এক কাপ বই সিরিজটি অনেকদিন ধরেই লেখার চেষ্টা আমার। এক কাপ চা খেতে খেতে যদি দারুণ কিছু শেখা যায় তাহলে মন্দ কি? এখন তো বই পড়ায় আমাদের সময় নেই তেমন, সেই না পাওয়াকেই আরেকটু অন্যরকম করে তোলার জন্যই এই এক কাপ বই সিরিজ। আর এখন ট্রেন্ডিং যত বই আছে সবগুলোই আসলে ২০ পাতার বই, কেন যে লেখকরা কাটতি বাড়ানোর জন্য ৪০০ পৃষ্টা লেখেন!)
রায়ান হলিডের গ্রোথ হ্যাকার মার্কেটিং বই পড়ে যা জেনেছি,
ব্যবসা কিংবা স্টার্টআপ শুরুর আগে আমরা বিলিওন ডলার আর কোটি কোটি কাস্টমার বিবেচনায় একগাদা প্ল্যান করি। এখন কোন কিছু শুরু করাটাই বেশ দ্বিধার, সেই দ্বিধা কাটাতে ছোট্ট কাস্টমার গ্রুপ নিয়ে কাজ শুরু করা উচিত।
দুই দশক আগেও ব্যবসার প্যাটার্ন ছিল, দারুণ কোন পণ্য বা সেবা তৈরি করে যত লোকের চোখের সামনে হাজির করুন। ইন্টারনেটের বিস্তৃতির কারণে সেই প্যাটার্নে ধাক্কা লেগেছে। এখন পন্য অনেক, সেবা অনেক-মোটামুটি মাছের বাজার সবখানে। এখানে কিভাবে আপনার পন্যকে অন্যদের চেয়ে আলাদা করবেন তা ঠিক করতে হবে আপনাকে। আপনার প্রোডাক্টকে ক্যাটাগরিতে এক নম্বর আনতে টাকার চেয়ে বুদ্ধিই বেশি খাটাতে হবে এখন।
আগে একটা নিয়ম ছিল, বাজারে যা ছাড়বেন সেটাই সব। কিন্তু এখন ভার্সন ওয়ান পয়েন্ট ও, ভার্সন টু পয়েন্ট ও করে করে পন্য-সেবাকে বিকাশের দারুণ সুযোগ আছে। এখন আসলে প্রোডাক্ট ডেভলপমেন্ট বিষয়টা নিত্যদিনকার।
স্বর্ণকার গহনা বানিয়ে দেয়ার পরে সেটা ক্রেতা কিনে ফেললেই কিন্তু সব শেষ, কিন্তু আপনার অ্যাপটির প্রথম ভার্সনে বাগ দ্বিতীয় ভার্সনে না সরালে বিপদ কিন্তু! ফেসবুক গেল তের বছরে অনেকবারই তো হোম পেইজ বদলেছে, সঙ্গে আরও কত কি!


যারা আর্লি অ্যাডাপটার তাদেরকে শুরুতেই টার্গেট করুন। আপনার প্রোডাক্টটি কারা প্রথমে ব্যবহার করতে পারে তাদের সাইকোলজি বোঝার চেষ্টা করুন। টার্গেট দ্য রাইট পিপল। সাধারণভাবে আমাদের টার্গেট থাকে সবাই যেন আমাদের পণ্য বা সেবা নেয়, শুরুটায় এমন টার্গেট উচ্চাভিলাসী।
আবার আরেকটা বিষয় খেয়াল রাখা জরুরী, আপনার পণ্য বা সেবা তা ঠিক কাস্টমারই কিনছে কিনা সেটা আপনার ভাবতে হবে। ভুল কাস্টমার যদি ভুল করে প্রোডাক্ট কেনে আর আপনি তা খেয়াল না করেন তাহলে কিন্তু পণ্যের ভবিষ্যৎ খারাপ।
শহরের মানুষদের কাছে লন মোয়ার বিক্রি করার সঙ্গে বিষয়টা মেলাতে পারেন।
ড্রপবক্স রাইট কাস্টমার ধরার জন্য ডিগ নামের সোশ্যাল মিডিয়াকে টার্গেট করেছিল। ড্রিউ হিউস্টোন ড্রপবক্স ব্যবহার নিয়ে একটি ভিডিও তৈরি করেছিলেন, যেখানে ডিগ কমিউনিটি ব্যবহার করে এমন সব ইস্টার এগ ব্যবহার করা হয়েছিল। ভিডিও আপলোডের ২৪ ঘণ্টার মধ্যে ড্রপবক্সে কয়েক হাজার সাইনিং আপ হয়েছিল।
পণ্য বা সেবাকে এমনভাবে ডিজাইন করুন যেন কাস্টমারই আপনার বিপণনের মাধ্যম হিসেবে কাজ করেন। পণ্যকে ভাইরাল করতে দুটো পথ আছে,
পণ্যটিকে যেন ভাগাভাগি করার সুযোগ থাকে, আর সবাইকে তা শেয়ার করতে বলুন!

Hi! Myself Aashaa Zahid.
Basically, I’m a Transporter of Happiness. An average son of a great parent. An average man.
You could knock me, text me, ping me for nothing!
-- Stay cool. Embrace weird.
Total 425 views. Thank You for caring my happiness.

বাংলাদেশ আর্মি থেকে যেসব নেতৃত্বগুণ শিখতে পারেন

ইদানিং যুদ্ধ আর রণকৌশল নিয়ে দারুণ কিছু বই পড়ছি। ব্যবসার দুনিয়াতে কৌশল আর যুদ্ধের রণাঙ্গনের কৌশল তো একই, তাই না? লক্ষ্য একটাই বিজয়। এক্সট্রিম ওনারশিপ নামের একটা বই পড়ছি এখন, সেই বইকেই বেইজ ধরে বাংলাদেশ আর্মি থেকে নেতৃত্ব শেখার যে পয়েন্টসগুলো জানতে পারেন তা নিয়ে এই লেখাটি দাঁড় করাচ্ছি।


১. সব দায় লিডারের
যা হবে, যা হয়েছে-তার সব দায় আপনারই। আপনার টিমের কেউ যদি আপনার নির্দেশনা না বোঝে তাহলে টিম লিডার হিসেবে আপনি তাকে দোষারোপ করতে পারেন না। নেতা হিসেবে আপনার দায় হচ্ছে দলের সব সদস্যকে সব কিছু বুঝিয়ে দেয়া। যুদ্ধের সময়, আপনার দলের কোন সৈনিক আপনার কথা যদি না বুঝতে পারে তাহলে কত বড় বিপর্যয় হতে পারে তা কি ভেবেছেন? একই কথা আসে ব্যবসার দুনিয়াতে। আপনার কোন কর্মী যদি আপনার কথা না বুঝতে পারে তাহলে তার দায় আপনারই। আপনাকে শতভাগ নিশ্চিত করতে হবে কিভাবে আপনার কথা আপনার দলের সদস্যরা বুঝবে। আপনার দলের সদস্য আপনার কাছে না এলেও আপনাকে তার কাছে যেতে হবে, তাকে বুঝাতে হবে। হলিউডের মুভিতে দেখেন না, সিনেমায় মিশনে যাওয়ার আগে মেজর কিংবা কমান্ডেন্ট বারবার একই কথা তার টিমের সদস্যদের কেন বলে? বলা কথার জোর অনেক বেশি কিন্তু!
আপনি হয়তো ভেবে আছেন, আপনার অফিসের কর্মী আপনার কথা সব বুঝে যায়। বাস্তবতা আসলে বেশ ভিন্ন। বারবার আপনার কাজের লক্ষ্য, সাফল্যের শীর্ষ কোথায় তা আপনার দলের সদস্যদের বুঝিয়ে বলুন। আপনি যদি আপনার কাজের সাফল্য আনতে চান, তাহলে পুরোপুরো দায় নিয়ে নিজের মধ্যে চুম্বকের মত ডায়নামিজম তৈরি করুন।
ভাবনার প্রশ্ন: আপনার কর্মীকে ব্যর্থতার জন্য দিনে দশবার কথা না শুনিয়ে তাকে কি কখনও একই বিষয় ৩ বার বুঝিয়ে বলেছেন? সমস্যা নিয়ে ভাবনার চেয়ে সমাধান নিয়ে তাকে ভাবতে উৎসাহ দিয়েছেন কি?


২. খারাপ টিম বলে কোন কথা নেই, সব খারাপ আসলে লিডারই
সেনাবাহিনীর সব সদস্যই শুরু থেকে দল হিসেবে কাজের শিক্ষা পায়। আমাদের অফিসগুলোতে যে যার মত আলাদা আলাদা কাজ করে দুনিয়া উদ্ধার করে। সেনাবাহিনীতে কখনই কখনই একক কোন কাজের দৃষ্টান্ত আনতে পারবেন না, সবাই টিম। ভাবুন তো, আপনি আর্মির কোন একটি টিমের লিডার, আপনার দলের সবাই আলাদা আলাদা কাজে ওস্তাদ। সবাই র‍্যাম্বো, শেষ পর্যন্ত যুদ্ধ মাঠে কি হবে? মনে রাখা উচিত, যারা বীর হিসেবে স্বীকৃত তারা সবাই দারুণ কোন একটি দলের সদস্য ছিলেন। আমাদের বীরশ্রেষ্টদের যুদ্ধের ঘটনাগুলো পড়তে পারেন। বীরশ্রেষ্ট মতিউর রহমান ছাড়া বাকি সবাই কোন না কোন টিমের সদস্য ছিলেন। সিপাহী নূর মোহাম্মদ বীরশ্রেষ্ট মানে কিন্তু তার সেই টিমের সবাই এক!
আপনার টিমের সাফল্য নির্ভর করছে আপনার উপর। টিম খারাপ ছিল, এটা মূর্খদের এক্সকিউজ। মরিস ওদুম্বে নামে কেনিয়ার একজন ক্রিকেটার ছিলেন, তার সময়ের সেরা ক্রিকেটার। কেনিয়া দল খারাপ ছিল, কিন্তু সে ভালো ছিল। সে ভালো থাকলে কি হবে? কেনিয়া কি ভালো করেছে কিনা তাই ভাবার বিষয়!

১৯৯৪ সালে বসনিয়াতে বাংলাদেশ আর্মির কমান্ডার ন্যাটোর সঙ্গে যোগাযোগে ব্যর্থ হয়েছিল। সেবার একজন সৈনিক হারিয়েছিল বাংলাদেশ আর্মি। লিডারের ভূমিকাই সব।

(ফেসবুকে আমি ভুলে একশ জন সৈনিক হারানোর কথা লিখেছিলাম, উইকিপিডিয়া থেকে পড়ার সময় ভুল বুঝেছিলাম আমি। দুঃখিত।)
হয় নেতৃত্ব দিতে শিখুন, কিংবা শেখার জন্য বই পড়ুন। শেখ মুজিবুর রহমান এক দিনে নেতা হয়েছেন?
যে কোন যুদ্ধে পরাজিত হলে কার দোষ হয় বলুন তো? ইয়াহিয়া খানের, সেনাপ্রধানের। তাহলে ব্যবসার ক্ষেত্রে দায় কেন টিমের সদস্যদের উপর দিচ্ছেন?
৩. শুরুটা আপনারই করতে হবে
টিমে কাজ করার সময় নেতা হিসেবে আমাদের কথা কেউ না শুনলে আমরা “বসের অর্ডার” কিংবা উপরের অর্ডার বলে অন্যদের উপর চাপিয়ে দেই কথা বার্তা। আপনার উপরে টিমের বিশ্বাস থাকে না বলেই কিন্তু আপনাকে হাইকোর্ট দেখাতে হচ্ছে!
সেনাবাহিনীতে কি এমনটা হতে শুনেছেন? ট্রেনিংয়ের প্রথম দিন থেকেই নেতার কথা শুনতে হবে এমনটাই মাথায় ঢুকিয়ে দেয়া হয়। নেতার মনস্তত্বের উপরে ভরসার কথা বলা হয়। আবার যিনি নেতা হবেন তাকেও এমনভাবে ট্রেনিং দেয়া হয় যেন তার উপরে সবার শ্রদ্ধা আর ভরসা তৈরি হয়। অনাস্থা কিন্তু সেনাবাহিনীতে ভয়ানক একটি রোগ। আপনার উপর একবার অনাস্থা তৈরি হলে আপনি সম্ভবত সেনাবাহিনীতে আর টিকবেন না!
অফিসগুলোতে কি দেখি আমরা? যে টিমলিডার থাকে তার উপরই যত অনাস্থা! টিমের কর্মীদের মধ্যে কেন টিমলিডার কিছুই পারে না বলে ধারণা তৈরি হয়?
আপনি যদি নিজের টিমের মধ্যে লিডারশিপের জায়গা তৈরি করতে চান, তাহলে আপনি উপরের সিদ্ধান্তে কাজ করছেন এমন কোন কারণ তৈরি করবেন না।

৪. নিজের ইগো সম্পর্কে সতর্ক থাকুন
সিয়েরা লিওনে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী সরাসরি বিদ্রোহীদের সঙ্গে যুদ্ধ করেছে। ভাবুন তো সেখানে আপনি মেজর পদমর্যাদার কোন অফিসার। আপনার কোন কলিগের সঙ্গে আপনার “শো অফ” ক্রাইসিস আছে। সেই কলিগ কারও কথা শুনেন না, তার সঙ্গে কোন সৈনিক কেউ যুদ্ধমাঠে যেতে চান না। তাহলে পরিস্থিতি কি হবে ভাবুন তো?
আমাদের অফিসগুলোতে কিন্তু এমন অনেক কর্মী আছেন, কিংবা আপনিই সেই টিমলিডার যার সঙ্গে কেউ কাজ করতে চান না। আপনি ম্যানেজার পদের মানুষ বলে সবার সঙ্গে খারাপ বিহেইভ করেন, ইগোর কারণে মাটিতে পা পড়ে না। সেনাবাহিনীতে এমন হলে পরিস্থিতি কি হবে ভাবুন তো?
সেনা অফিসাররা অনেকেই অনেক সৈনিকের চেয়ে বয়সে কম। তার নেতৃত্ব দেয়ার যোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন উঠলে তার অধীনস্ত টিম কি সঠিক দায়িত্ব পালন করতে পারবে?
“আমি সব জানি”, এমন বস বা টিম লিডার অফিসে থাকবেই। সেনাবাহিনীতে এমন অফিসার থাকলে কি বিপত্তি হবে তা ভাবুন একবার!

৫. কভার অ্যান্ড মুভ
সেনাবাহিনীতে কভার অ্যান্ড মুভ নামের একটা যুদ্ধ স্ট্র্যাটেজি আছে। গোলাগুলি চলুক না চলুক আপনি যখন সামনে এগোবেন তখন সব সময় আপনার যে সদস্যরা সামনে এগোচ্ছে তাদের কেউ না কেউ কভার করছে।
এ সময় আরেকটা স্ট্র্যাটেজি কাজে লাগানো হয়, সাধারণভাবে আমরা হেটে চলার সময় এক পা সামনের মাটিয়ে দেয়ার সঙ্গে সঙ্গে পরের পা তুলে হেটে যাই এমনটার উল্টো! আপনি প্রথমে প্রথম পা ফেলবেন, তা পুরোপুরি মাটিতে রেখে তারপরে দ্বিতীয় পা সামনে বাড়াবেন!
আমরা অফিসে টিমলিডাররা কি করি? নিজের কাজ করে সামনে এগিয়ে যাই। যুদ্ধের মাঠে এমনটা করলে কি হবে বলুন তো! যুদ্ধের মাঠে প্রত্যেক সেনাসদস্য যেমন নিজের নিরাপত্তা নিশ্চিত করে, তেমনি নিজের সহযোদ্ধারও। অফিসে এমনটা করার চর্চা প্রয়োজন আমাদের। এতে নেতার প্রতি সবার বিশ্বাস তৈরি হয়।


৬. সব কিছু সরল রাখুন
বলা হয়, রণকৌশল যত কঠিন যুদ্ধে জেতা তত কঠিন। সব সোজা আর সরল রাখা হয় যুদ্ধ কৌশলে, যেন সৈনিকরা সবাই সব কিছু বুঝতে পারে।
অফিসে কি হয়? একটা পাওয়ারপয়েন্ট প্রেজেন্টেশনে চার্ট আর চার্ট দিয়ে ভরে ফেলি আমরা। তারপরে তার সাতসমুদ্রের যতজ্ঞান আছে তা নিয়ে ভয়ানক একটা স্ট্র্যাটেজি তৈরি করি! এতে ভরকে যায় আপনার টিমমেইটরা!
অ্যাপল কিন্তু দুনিয়া সেরা সাফল্য পেয়েছে তার সরল ডিজাইনের জন্য!

 

 

 


আরও পড়ুন:

তাহসান থেকে হবু-উদ্যোক্তারা যা শিখতে পারেন

Hi! Myself Aashaa Zahid.
Basically, I’m a Transporter of Happiness. An average son of a great parent. An average man.
You could knock me, text me, ping me for nothing!
-- Stay cool. Embrace weird.
Total 4,776 views. Thank You for caring my happiness.

ব্যবসা কি তা জানতে যে বইটা পড়া জরুরী

ইনোভেটিভ বিজনেজ মডেলের উপর Alexander Osterwalder আর Yves Pigneur-এর বই Business Model Generation। বিজনেজ কিংবা স্টার্টআপ-অন্ট্রাপ্রেনিউরশিপ নিয়ে যারা আগ্রহী তাদের জন্য দারুণ একটা বই। গুডরিডস রেটিং ৪.১৬, ৪+ বলেই বোঝা যায় ২৭০ পৃষ্ঠার বইটা বেশ কাজের।  
বইটা পড়ার পরে ডিজাইন থিংকিং বিষয়টা সম্পর্ক ধারনা বেড়েছে আমার। আর বইটা নাইন বিল্ডিং ব্লকসের বিজনেজ মডেল ক্যানভাস তৈরির জন্য আলোচিত। আপনি যদি কোন কিছু শুরু করতে চান, তাহলে এই ক্যানভাসে পুরো ব্যবসাকে বসিয়ে নিন। যদি বসানোর পরে দেখেন কোন একটা ঘর খালি, তাহলে আবার নতুন করে ভাবতে হবে।
৪-৫টা ব্যবসা মডেলের কথা এই বইয়ে লেখা হয়েছে। আনবিল্ডিং মডেল, দ্য লং টেইল মডেলগুলো সম্পর্কে প্রথম জানতে পারি আমি।
ডিজাইন থিংকিং, ভিজ্যুয়াল স্টোরি টেলিং যে কতটা আনন্দের আর মজার তা নতুন করে শিখেছি।

কোন ব্যবসা শুরুর আগে, কিংবা প্রচলিত ব্যবসাকে এই মডেলে ফেলে পুরো ব্যবসাকে একটা পেইজে আনা যায়। ডানে কাস্টমার, আর বামপাশে আপনি-আপনার প্রোডাক্টস; নিচে রেভিনিউ আর খরচ।

        

 

যে কোন স্টার্টআপের শুরুতে এই বিজনেজ মডেলের উপর বইটা পড়া বেশ কাজ দিবে বলে মনে হয় আমার। আইটি কিংবা নন-আইটি যে কোন ব্যবসাকে কাস্টমারের কাছে নেয়ার মডেল ব্যাখ্যা, ভ্যালু তৈরি করে তা কিভাবে কাস্টমারের কাছে পৌছাবেন তাই জানতে পারবেন এই বইটা থেকে।

 

আরও পড়ুন:

এক বছরেই ২০০ বই পড়বেন যেভাবে!

Hi! Myself Aashaa Zahid.
Basically, I’m a Transporter of Happiness. An average son of a great parent. An average man.
You could knock me, text me, ping me for nothing!
-- Stay cool. Embrace weird.
Total 1,229 views. Thank You for caring my happiness.

পড়ো পড়ো পড়ো পড়া

জানুয়ারি মাসেই মুনির হাসানের নতুন বই পড়ো পড়ো পড়ো ফেসবুক ফিডে চলে আসে। পড়ার আগ্রহ তো এমনিই থাকে, মুনির হাসান স্যারের বই বা লেখা হলে তো কথাই নেই।

মুনির হাসানকে আমরা অনেকেই প্রকাশ্যে স্যার বলি, কিন্তু সামনে কথা বলার সময় “ভাই”, “বস”-ই ভরসা। স্যারের বই না পড়াটা অন্যায়, আর না কেনা তো মহাপাপ। কিন্তু আমি তো বই কেনার লোক না! শেষ পর্যন্ত বাংলাদেশ ফ্রিডম ফাউন্ডেশনের সাজ্জাদ ভাই আমাকে পড়ো পড়ো পড়ো কিনে দেন।

আমি মনে হয় সেই টাইপের পাঠক যাকে যে বই কিনে দেন তার অটোগ্রাফ নেই। আমার পড়ো পড়ো পড়ো বইয়ে লেখকের অটোগ্রাফ নেই, যিনি উপহার দিয়েছেন সেই সাজ্জাদ ভাইয়ের আছে।
গণিত অলিম্পিয়াডের বায়েজিদ ভূঁইয়া জুয়েল ভাইকে বলে রেখেছি, আমি কোন দিন “পড়ো পড়ো পড়ো” নিয়ে রিভিউ লিখতে তা ২৮০ পৃষ্ঠা লিখবো। মূল বই ২২০ পৃষ্ঠা, আর তার রিভিউ ২৮০ পৃষ্ঠা-দারুণ মার্কেটিং হাইপ হবে!

(আরও পড়ুন: এক বছরেই ২০০ বই পড়বেন যেভাবে!)

লর্ড অব দ্য রিংসের স্রষ্টা জে আর আর টোলকিয়েন ক্রিটিক সম্পর্ক বলেছেন, “কেউ বই পড়ে তারপরে বইটাকে কোন মতে একটা রিভিউ লিখে দেয়। বইটা পড়ে বিরক্তিকর, হাস্যকর কিংবা আবোলতাবোল মনে করে। আমিও তাদের লিখা নিয়ে একই ধারণা পোষণ করি।” কোন বই পড়ে কমেন্টস করা একটা আর্ট, ক্রিটিসিজম ইট সেল্ফ অ্যা আর্ট। আমি কে কোন বই পড়ে তা নিয়ে লেখার। পারমিনিট ২৫০+ শব্দ পড়ুয়া একজন ফাঁকিবাজ পাঠক হিসেবে দাবি করে কিছু বই যে পড়ি না তা অস্বীকার করবো না।


পড়ো পড়ো পড়ো শুরুর আগে আমি ফিল নাইটের শু ডগ বই পড়া শুরু করি। ফিল নাইট নাইকির প্রতিষ্ঠাতা। তার অটোবায়োগ্রাফি শু ডগ, আবার মুনির হাসানের বায়োগ্রাফির প্রথম অংশই পড়ো পড়ো পড়ো। যে কোন বায়োগ্রাফিরই প্রথমদিকটা আমার কাছে খুবই ঝাপসা মনে হয়। ফিল নাইট তার বইতে তার ঘর-বাড়ি-বারান্দার দারুণ এক চিত্র তুলে ধরেছেন, দূরের পাঠক হিসেবে সেইসব জায়গা কল্পনা করাটা খুব কঠিন। আমি যেহেতু যুক্তরাষ্ট্রের ওরেগনে কোন দিন যাই নাই, সেহেতু আমাকে ওরেগনের পরিবেশ সম্পর্কে যতটাই লিখে বলা হউক না কেন, আমি বুঝে উঠতে পারবো না।
মুনির হাসান যখন ১৯৮৮ সালে বুয়েটে পড়ছেন, রাজনীতির আশেপাশে ঘুরছেন-সেই সময়টাতে ঢাকা ক্যান্টনমেন্ট ছিল উত্তাল। যারা পড়ো পড়ো পড়ো পড়বেন তারা জেনারেল এরশাদের কারণেই ক্যান্টনমেন্ট+দেশ উত্তাল দেখতে পারবেন। সে সময়টায় আরেকটা কারণে ক্যান্টনমেন্ট গরম ছিল, সেটা ছিল আমার জন্ম। আমি সিএমএইচে জন্মেছিলাম তখন! কাকতালীয়ই বটে, স্যারের জন্মদিন আর আমার জন্মদিনই একই তারিখ, ২৯ জুলাই। পরে জেনেছি ২৯ জুলাই উদ্যোক্তা তানিয়া ওয়াহাব ও সোলায়মান সুখনের মেয়েরও জন্মদিন! সব লিও!
পড়ো পড়ো পড়োর শুরুর দিকেও অনেকগুলো চরিত্রের সঙ্গে পরিচিত হতে হয়ে পাঠকদের। বুয়েট আর চট্টগ্রামের নানান মানুষ আর চরিত্রের নানান ঘটনা, কিছুটা আড্ডার স্টাইলে লেখা। যারা মুনির হাসানের কথা শুনেছেন তারা বইটা পড়ার সময় মুনির হাসানই কথা বলছেন এমনটা ভাবতে পারেন। তবে কিছু কিছু ক্ষেত্রে ফিল নাইটের শু ডগ পড়ে যেখানে কুয়াশা দেখেছি সেই অবস্থা ছিল বুয়েটের হল আর ক্লাসরুমের নানান চিত্র পড়ার সময়। তবে এটা ঠিক যারা বুয়েটে পড়েছেন তারা নিজেকে মুনির হাসানের জায়গায় কল্পনাতে নিয়ে যেতে পারবেন। দূরের পাঠক হিসেবে মূল ঘটনার ক্রিমটাই পড়ে মুখে হাসি আসবে আপনার।
যেহেতু বইটি কোন এক বড় আত্মজীবনীর অংশ সেহেতু প্রথমটুকুই পড়ে কোন ধরণের ক্রিটিক টাইপের মন্তব্য করতে আমি রাজি না। ৪০ বছর পরের কেউ যদি টাইম মেশিনে এখন চলে আসলে সে বইটা সম্পর্কে দারুণ কোন রিভিউ করতে পারবেন, আমি না।
যারা মুনির হাসানের বিজ্ঞান বিষয়ক লেখা নিয়মিত পড়েন তারা নিশ্চিত বইটির শেষের অংশ পড়ে এখনকার মুনির হাসানকে মেলাতে পারবেন। আমি মুনির হাসানকে ২০০৭ থেকে চিনি, এরপরের অংশটুকুর জন্য বইটির দ্বিতীয় পর্ব টুকু পড়তেই হবে।

(ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী? ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের ২০১৭ সালে যে বইগুলো পড়া উচিত!)

যে সব কারণে পড়ো পড়ো পড়ো পড়া ঠিক হবে না

  1. আপনি যদি বিসিএস পরীক্ষাই ধ্যানজ্ঞান মনে করেন তাহলে বইটা ধরাই ঠিক হবে না।
  2. বইটির শেষ দিকে আরও কিছু বইয়ের নাম দেয়া আছে। এটা আসলে ওই বইগুলো বেঁচার ধান্দা! অ্যাফিলিয়েটিং মার্কেটিং, একটা কিনলে আরেকটায় যাওয়ার ব্যবসা!
  3. বইটার শেষ দিকে কিছু মুভি দেখার তালিকা আছে, তাহসানম্যানিয়াক হলে বইটা না ধরাই উত্তম।

আমরা যারা মুনির হাসান হতে চাই, তাদের জন্য বইটা থেকে দুষ্টামি শেখার সুযোগ যেমন আছে। তেমনি বইটি পড়ে “অ্যাট দ্য এন্ড অব দ্য ডে হোয়াট ইউ রিড ইজ ইউ” বলে মনে হবে আপনার।
হ্যাপি রিডিং!

 

 

আরও পড়তে পারেন:

নবী মোহাম্মদ কি জুতো পরতেন

ফোর্বস ম্যাগ যে বই উদ্যোক্তাদের Must পড়তে বলে

এক বছরেই ২০০ বই পড়বেন যেভাবে!

Hi! Myself Aashaa Zahid.
Basically, I’m a Transporter of Happiness. An average son of a great parent. An average man.
You could knock me, text me, ping me for nothing!
-- Stay cool. Embrace weird.
Total 2,938 views. Thank You for caring my happiness.

শিক্ষক-ছাত্রের সেই যে পাগলামিই নাইকি!

আমাদের দেশে ছাত্র-শিক্ষক সম্পর্ক যেন কেমন জানি ভয় আর দূরত্বের বেশ বড় একটা সম্পর্ক। আমাদের দেশে তেমন দেখা না গেলেও পশ্চিমের দুনিয়াতে ছাত্র-শিক্ষকরা অনেক বড় প্রতিষ্ঠানই গড়ে তুলেছেন এমন উদাহরণ খুঁজে পাওয়া যায়।

অরেগন বিশ্ববিদ্যালয়ে উইলিয়াম বাওয়ারম্যান নামের একজন ফিল্ড কোচ ছিলেন। পদে কোচ হলেও নিজেকে প্রফেসর হিসেবেই দাবি ছিল তার। তার বিশ্ববিদ্যালয় টিমের এক শিক্ষার্থী ছিল ফিল নাইট।

অরেগন বিশ্ববিদ্যালয়ে ২৪ বছর কোচ হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন বাওয়ারম্যান। ১৯৬৪ সালের অলিম্পিকে মার্কিন অ্যাথলেটদের কাছে তার গ্রহণযোগ্যতা ছিল বেশ। জগিংয়ের উপরেও বেশ ভালো বই লিখে ষাটের দশকে জনপ্রিয় ছিলেন তিনি। এই বাওয়ারম্যানই তার টিমের ব্যাকআপ প্লেয়ার ফিল নাইটকে নিয়েই দারুণ এক কোম্পানি গড়ে তুলেছিলেন, নাইকি।
কে এই ফিল?
অন্য আট-দশটা মার্কিনের মতই সাদা চামড়ার মানুষ ফিল নাইট। প্রথমে অরেগন বিশ্ববিদ্যালয় তারপরে স্ট্যানফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে এমবিএ পড়েন ফিল। এরপরে সেনাবাহিনীতেও কিছুকাল রিজার্ভ হিসেবে কাজ করেন। মা-বাবার দারিদ্র্যতাকে কাটানোর জন্য কি করা যায় তা নিয়ে প্রায়শই ভাবতো ফিল।

স্ট্যানফোর্ড পড়ার সময় “Can Japanese Sports Shoes Do to German Sports Shoes What Japanese Cameras Did to German Cameras?” নামের একটা পেপার প্রকাশ করেন ফিল। নিজের কাছে সেই রকম মনে হলেও তার এই পেপার প্রেজেন্টেশনের সময় নাকি ক্লাসের বাকি সবাই ঘুমাচ্ছিল বলে নিজের বায়োগ্রাফিতে লিখেছিলেন ফিল। ১৯৬২ সালে স্ট্যানফোর্ডের পড়াশোনা শেষ করে সারা পৃথিবী ঘোরার আগ্রহ দেখা যায় তার। জমানো টাকা নিয়ে বেড়িয়ে পড়েন, প্রথমে হাওয়াই।
একবন্ধুর সঙ্গে হাওয়াইর বিমান উঠে পড়েন ফিল। সেখানে কিছুদিন এনসাইক্লোপিডিয়া বিক্রি করার চেষ্টা করে ফিল, কয়েক সপ্তাহ পরে হিসেব করে দেখেন কোন কিছুই বিক্রি পারেন না ফিল। এরপরে ছুট দেন জাপান। টাইগার নামের এক জুতো জাপান থেকে আমেরিকায় এনে বিক্রির প্ল্যান করে ফিল। নিজের ঘরে অনেক পুরষ্কার নীল ফিতা দিয়ে জড়ানো ছিল, প্রতিদিন সন্ধ্যায় সেখানে ফিলের নজর পড়ত, তাই জাপানিজদের নিজের কোম্পানির নাম হিসেবে বলেন ‘ব্লু রিবন’।

এই সেই ফিল!

জুতো জাপান থেকে দেশে ফিরতে ফিরতে ফিল চীন, ভারত, ফিলিপাইন, নেপাল, গ্রীস, মিশর, যুক্তরাজ্য, ফ্রান্স হয়ে দেশে ফেরেন। দেশে ফিরে অ্যাকাউনটেন্ট হিসেবে কাজ শুরু করেন। এরই মধ্যে জুতো জাপান থেকে বাড়িতে আসলে চমকে যান ফিল। নিজের শিক্ষক+কোচ বাওয়ারম্যানকে জুতো কেনার অনুরোধ করে। বাওয়ারম্যান শুধু জুতোই নয় ব্লু রিবন কোম্পানির শেয়ার কেনার প্রস্তাব দেন।
বাওয়ারম্যানের এক উকিল বন্ধুর বাড়িতে হ্যান্ডশেইক চুক্তির মাধ্যমে ব্লু রিবন কোম্পানি প্রতিষ্ঠা করেন ছাত্র-শিক্ষক নাইট ও বাওয়ারম্যান।
——-

এখন পড়ছি শু ডগ নামের একটি বই। #21daysofReading চ্যালেঞ্জের অংশ হিসেবে প্রতিদিন ২০ পৃষ্ঠা করে বইটা পড়ছি। সাড়ে তিনশ পৃষ্ঠা শেষ হবে কবে?

Hi! Myself Aashaa Zahid.
Basically, I’m a Transporter of Happiness. An average son of a great parent. An average man.
You could knock me, text me, ping me for nothing!
-- Stay cool. Embrace weird.
Total 1,219 views. Thank You for caring my happiness.

নবী মোহাম্মদ কি জুতো পরতেন

শিরোনাম দেখে ধর্মবিদ্বেষ ভাবনা আসতে পারে অনেকের মধ্যে। এই জিজ্ঞাসা আমার না, ফিল নাইট নামের এক ভদ্রলোকের। ১৯৬০ দশকে পৃথিবী ঘুরতে বেরিয়ে ছিল ফিল নাইট। জেরুজালেমের একটি পাথরের গায়ে নবী মোহাম্মদের পদচিহ্নের কথা জেনে ফিলের মনে প্রথম এই প্রশ্নই এসেছিল, ‘নবী মোহাম্মদ কি খালি পায়ে চলতেন, না জুতো পরতেন?’

কেন এই প্রশ্ন আসলো তার মনে? প্রশ্নের শুরুটা আসলে ১৯৬২ সালের শুরুর দিকেই। ফিল নিজের জন্য কিছু করবে দেখে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ওরেগন থেকে হাওয়াই হয়ে জাপান চলে যায়। জাপানে সেই রকম কিছু কাজ করে বিশ্ব দেখতে বের হয় ফিল, আর তখনই এমন একটা প্রশ্ন আসে তার মনে। লিওনার্দো ভিঞ্চির শহরে ঘুরতে যেয়ে ফিলের লিও’র ‘মানুষের পা নাকি সবচেয়ে সুন্দর’ এমন ভাবনায় আলোড়িত হয় ফিল। শেক্সপিয়ারের এলাকা দেখার সময় এলিজাবেথিয়ান সময়কার নারীরা জুতোর উপরে লাল কাপড় পড়তেন। দুনিয়ার যাই দেখতেন ফিল সবখানেই জুতো দেখতেন! নেপাল ঘোরার সময় তিব্বতীয় মংকদের জুতোই দেখতেন ফিল।
যুদ্ধের জেনারেল যে বুট-জুতা পছন্দ করতেন তাকেই সেই মাত্রায় পছন্দ করতেন ফিল। পাগলামি!
অবরুদ্ধ বার্লিনে একদিকে মার্ক্স-এঙ্গেলস-প্ল্যাৎজকে খুঁজে বেরিয়েছেন ফিল, আর অন্য দিকে দুটো ছেলে একটা মেয়ের ছবি তোলার সময় নিজেকেই হারিয়ে ফেলেছেন তিনি। “Will I ever forget her? Or her shoes?”, এখানেও জুতো তার।
সব দিকে জুতো-জুতো দেখা এই মানুষটা ফিল নাইট, নাইকির প্রতিষ্ঠাতা।

মন্ত্রমুগ্ধে মত ফিল নাইটের লেখা শ্যু ডগ পড়ছি। স্টিভ জবস, রিচার্ড ফাইনম্যানের বায়োগ্রাফি পড়ার পরে এই বই হাতে আসছে। প্রতিদিন ২০ পেইজ, এমাসের শেষে এই বই শেষ হবেই। ফিল নাইটের কথা প্রথম জানি আমার যমুনা টিভির সহকর্মী-বড় ভাই এইচ এম সুজা ভাইয়ের কাছে। সুজা ভাইও ফিলের মত মাল, চালু।

 

 

সেন্ট যোসেফ হায়ার সেকেন্ডারি স্কুলের ক্লাসরুমে বসে ৯ ফেব্রুয়ারি এই পোস্টটা লিখেছি।

Hi! Myself Aashaa Zahid.
Basically, I’m a Transporter of Happiness. An average son of a great parent. An average man.
You could knock me, text me, ping me for nothing!
-- Stay cool. Embrace weird.
Total 1,549 views. Thank You for caring my happiness.

ফোর্বস ম্যাগ যে বই উদ্যোক্তাদের Must পড়তে বলে

ফোর্বস ম্যাগের যে পোস্ট নিয়ে এই লেখা তার সময়কাল ছিল ২০১৫। দুইবছর আগের লেখা হলেও, যে বইগুলোর তালিকা ফোর্বস ম্যাগে ম্যুরে নিউল্যান্ডস দিয়েছেন তা এখনও প্রাসঙ্গিক।
ফোর্বস ম্যাগে যা বলা হয়েছিল, আপনি এমবিএ পড়েন না পড়েন কিন্তু ব্যবসা বা উদ্যোক্তা হতে চাইলে এই বইগুলো পড়ে দেখা আবশ্যক। বিজনেজ স্কুলগুলোতে যা শেখায় না তাও নাকি এই বইগুলো থেকে জানা যাবে।
১. দ্য লিন স্টার্ট-আপ
এরিখ রিসের এই বইটা উদ্যোক্তা বিষয়ক বিভিন্ন বইয়ের তালিকায় প্রায়শই দেখা যায়। আমি অবশ্য ৩০ পৃষ্ঠার মতো পড়ে বইটা রেখে দিয়েছি, একটু বোরিং মনে হয়েছে। এরিখ এই বই যে কোন ব্যবসার জন্য দারুণ এক বৈজ্ঞানিক প্রসেস ডেভলপ করে বইটা লিখেছে।

২. ১০১ ক্রুশিয়াল লেসন্স দে ডোন্ট টিচ ইউ ইন দ্য বিজনেজ স্কুল
ক্রিস হ্যারউনের এই বই how to find customers আর how to network তৈরি করবেন তা নিয়ে অনেক কথা বলা আছে।

৩. জিরো টু ওয়ান
পিটার থেইলের এই বইটা যারা পড়েছেন তারা জানেন পিটার আসলে কি মাল! পিটার-এলন মাস্করা সেই ১৯৯৯ সালে পেপ্যাল তৈরি করেছিল। এই বইটা পড়লে ছয়টা প্রশ্ন পাবেন, তার উত্তর খোঁজাই নাকি উদ্যোক্তাজীবন।

৪. দ্য সেলফ-মেইড বিলিওনেয়ার ইফেক্ট
 he Self-Made Billionaire Effect by John Sviokla and Mitch Cohen
জন সিভিওকলা ও মিচ কোহেন নাকি এই বইয়ের ১২০ বিলিওনেয়ারের উপর গবেষণা করে এই বইটা লিখেছেন। যার কোম্পানির যত বড় ভ্যালু সেন্স সে তত বড় প্রভাবশালী হয়।

৫. স্টার্ট উইথ হোয়াই
সাইমন সিনেক নামটা কয়েকমাস ধরেই নানা জায়গায় দেখতেছি, তার বই নাকি সেই লেভেলের। এই বই থেকে জানবেন, মেকিং মানি ইজ নট অ্যা হোয়াই!

৬. দ্য ৭ হ্যাবিটস অব হাইলি ইফেক্টিভ পিপল
স্টিফেন কোভের এই বইটা ক্লাসিক লিডারশিপের উপর বইগলোর একটা হিসেবে ধরা হয়।

Hi! Myself Aashaa Zahid.
Basically, I’m a Transporter of Happiness. An average son of a great parent. An average man.
You could knock me, text me, ping me for nothing!
-- Stay cool. Embrace weird.
Total 1,342 views. Thank You for caring my happiness.