নেতৃত্ব বিকাশে যে TED Talk-গুলো আপনার কাজে লাগবে

কোরাতে ভালো অভ্যাসগুলোর একটি হিসেবে পেয়েছিলাম, প্রতিদিন কোন না কোন বিষয়ে টেড টক শোনা। আমি ইংরেজিতে বেশ ভজগৌড় বলে প্রতিদিন টেডে কান পাতি। সেই হিসেবে গেল ১ বছরে বেশ বড় সংখ্যার টেড টক শুনেছি। সেখান থেকে ৭টি সেরা টেড টকের তালিকার করলাম যা নেতৃত্ব বিকাশে কাজে দেবে মনে হয়। যদিও আমি লিডার না, তারপরেও জানতে পড়তে দোষ কোথায়!

১. ড্রিউ ড্যুডলে: এভরিডে লিডারশীপ
এই TED Talk-টি দেখলে আপনি ললিপপ মোমেন্ট নামের শব্দদ্বয়ের সঙ্গে পরিচতি হবে। ললিপপ মোমেন্ট এভরিডে লিডারশীপের একটি আলোচিত দিক। এর অর্থ হচ্ছে, আমরা যখন কাউকে ললিপপ বা চকলেট দেই তখন তার উপর কতটা প্রভাব ফেলে তা আমরা জানি না। আবার যিনি ললিপপ দেন তাকেও আমরা বলি না আমরা ললিপপ পেয়ে কতটা খুশি হই। এভরিডে লিডারশীপ হচ্ছে এমন একটি স্টাইল যেখানে বলা হয় আমাদের খুব ছোট দৃষ্টিভঙ্গি বা আচরণ অন্যকে বদলে ফেলতে উৎসাহ দেয়। লিডার যে কেউ হতে পারেন, তাকে যে ফেমাস হতে হবে এমন কোন কথা নেই।

২. ফিল্ডস উইকার-মিউরিন: লার্নিং ফ্রম লিডারশীপ’স মিসিং ম্যানুয়াল
সব কিছুই আমরা বই কিংবা ম্যানুয়াল পড়ে জানার চেষ্টা করি। সাইকেল কি ম্যানুয়াল দেখে পড়ে শেখা যায়? যতক্ষণ না আপনি সাইকেল নিয়ে মাঠে নামবেন ততক্ষণ সাইকেল চালানো শিখবেন না। লিডারশীপ বিষয়ে তেমন কোন ম্যানুয়াল বুক নেই। ম্যানুয়ালের বদলে আপনার চারপাশের মানুষের সমস্যা সমাধানের উপায়কে অনুপ্রেরণা হিসেবে ধরতে পারেন।

৩. সাইমন সাইনেক: হাউ গ্রেট লিডার্স ইন্সপায়ার অ্যাকশন
স্টিভ জবস নিজে প্রযুক্তিবিদ ছিলেন না, সরাসরি অর্থে কোডিং জানতে না আবার ডিজাইনিংয়ের ওপর ভালো পড়াশোনাও ছিল না তাঁর। স্টিভ জবস অ্যাপল কম্পিউটার্সে নিজের একটা আইডিওলজি ছড়িয়ে ছিলেন। তার কর্মীদের ওপর তার ছিলেন অগাধ নিয়ন্ত্রণ। বিজনেজ লিডার হিসেবে স্টিভ জবস ছিলেন দারুণ ম্যানেজার।

৪. ড্রেক সিভার্স: হাউ টু স্টার্ট অ্যা মুভমেন্ট
যারা স্টার্টআপ রিলেটেড বই পড়েন তারা সিডি বেবির কেইসের সঙ্গে পরিচিত। সেই সিভি বেবির প্রতিষ্ঠাতা ড্রেক সিভার্স। একটি ৩ মিনিটে নাচের ভিডিও দেখানো হয় এই টেড টকে। একজন সাধারণ মানুষ নাচতে নাচতে কিভাবে বিশাল মুভমেন্ট তৈরি করেন সেটাই ছিল এই টেড টকে।

৫. এমি কাডি: হাউ বডি ল্যাঙ্গুয়েজ শেপস হু ইউ আর
লিডারশীপ আর পাওয়ার পজিং নিয়ে বিভিন্ন বিষয় এই টেড টকে তুলে ধরা হয়েছে।

৬. টনি রবিন্স: হোয়াই উই ডু হোয়াট উই ডু

৭. স্ট্যানলি ম্যাকক্রিস্টাল: লিসেন, লার্ন, দেন লিড
ফোর স্টার জেনারেল স্ট্যানলি সেনাবাহিনী জীবনের বিভিন্ন ঘটনার মাধ্যমে লিডারশীপের বিভিন্ন বিষয় তুলে ধরেছেন।

-- Stay cool. Embrace weird.
Total 564 views. Thank You for caring my happiness.

শিক্ষক-ছাত্রের সেই যে পাগলামিই নাইকি!

আমাদের দেশে ছাত্র-শিক্ষক সম্পর্ক যেন কেমন জানি ভয় আর দূরত্বের বেশ বড় একটা সম্পর্ক। আমাদের দেশে তেমন দেখা না গেলেও পশ্চিমের দুনিয়াতে ছাত্র-শিক্ষকরা অনেক বড় প্রতিষ্ঠানই গড়ে তুলেছেন এমন উদাহরণ খুঁজে পাওয়া যায়।

অরেগন বিশ্ববিদ্যালয়ে উইলিয়াম বাওয়ারম্যান নামের একজন ফিল্ড কোচ ছিলেন। পদে কোচ হলেও নিজেকে প্রফেসর হিসেবেই দাবি ছিল তার। তার বিশ্ববিদ্যালয় টিমের এক শিক্ষার্থী ছিল ফিল নাইট।

অরেগন বিশ্ববিদ্যালয়ে ২৪ বছর কোচ হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন বাওয়ারম্যান। ১৯৬৪ সালের অলিম্পিকে মার্কিন অ্যাথলেটদের কাছে তার গ্রহণযোগ্যতা ছিল বেশ। জগিংয়ের উপরেও বেশ ভালো বই লিখে ষাটের দশকে জনপ্রিয় ছিলেন তিনি। এই বাওয়ারম্যানই তার টিমের ব্যাকআপ প্লেয়ার ফিল নাইটকে নিয়েই দারুণ এক কোম্পানি গড়ে তুলেছিলেন, নাইকি।
কে এই ফিল?
অন্য আট-দশটা মার্কিনের মতই সাদা চামড়ার মানুষ ফিল নাইট। প্রথমে অরেগন বিশ্ববিদ্যালয় তারপরে স্ট্যানফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে এমবিএ পড়েন ফিল। এরপরে সেনাবাহিনীতেও কিছুকাল রিজার্ভ হিসেবে কাজ করেন। মা-বাবার দারিদ্র্যতাকে কাটানোর জন্য কি করা যায় তা নিয়ে প্রায়শই ভাবতো ফিল।

স্ট্যানফোর্ড পড়ার সময় “Can Japanese Sports Shoes Do to German Sports Shoes What Japanese Cameras Did to German Cameras?” নামের একটা পেপার প্রকাশ করেন ফিল। নিজের কাছে সেই রকম মনে হলেও তার এই পেপার প্রেজেন্টেশনের সময় নাকি ক্লাসের বাকি সবাই ঘুমাচ্ছিল বলে নিজের বায়োগ্রাফিতে লিখেছিলেন ফিল। ১৯৬২ সালে স্ট্যানফোর্ডের পড়াশোনা শেষ করে সারা পৃথিবী ঘোরার আগ্রহ দেখা যায় তার। জমানো টাকা নিয়ে বেড়িয়ে পড়েন, প্রথমে হাওয়াই।
একবন্ধুর সঙ্গে হাওয়াইর বিমান উঠে পড়েন ফিল। সেখানে কিছুদিন এনসাইক্লোপিডিয়া বিক্রি করার চেষ্টা করে ফিল, কয়েক সপ্তাহ পরে হিসেব করে দেখেন কোন কিছুই বিক্রি পারেন না ফিল। এরপরে ছুট দেন জাপান। টাইগার নামের এক জুতো জাপান থেকে আমেরিকায় এনে বিক্রির প্ল্যান করে ফিল। নিজের ঘরে অনেক পুরষ্কার নীল ফিতা দিয়ে জড়ানো ছিল, প্রতিদিন সন্ধ্যায় সেখানে ফিলের নজর পড়ত, তাই জাপানিজদের নিজের কোম্পানির নাম হিসেবে বলেন ‘ব্লু রিবন’।

এই সেই ফিল!

জুতো জাপান থেকে দেশে ফিরতে ফিরতে ফিল চীন, ভারত, ফিলিপাইন, নেপাল, গ্রীস, মিশর, যুক্তরাজ্য, ফ্রান্স হয়ে দেশে ফেরেন। দেশে ফিরে অ্যাকাউনটেন্ট হিসেবে কাজ শুরু করেন। এরই মধ্যে জুতো জাপান থেকে বাড়িতে আসলে চমকে যান ফিল। নিজের শিক্ষক+কোচ বাওয়ারম্যানকে জুতো কেনার অনুরোধ করে। বাওয়ারম্যান শুধু জুতোই নয় ব্লু রিবন কোম্পানির শেয়ার কেনার প্রস্তাব দেন।
বাওয়ারম্যানের এক উকিল বন্ধুর বাড়িতে হ্যান্ডশেইক চুক্তির মাধ্যমে ব্লু রিবন কোম্পানি প্রতিষ্ঠা করেন ছাত্র-শিক্ষক নাইট ও বাওয়ারম্যান।
——-

এখন পড়ছি শু ডগ নামের একটি বই। #21daysofReading চ্যালেঞ্জের অংশ হিসেবে প্রতিদিন ২০ পৃষ্ঠা করে বইটা পড়ছি। সাড়ে তিনশ পৃষ্ঠা শেষ হবে কবে?

-- Stay cool. Embrace weird.
Total 1,776 views. Thank You for caring my happiness.

Recommendations from storytelling experts

Entrepreneurs and visionaries are always pitching, sharing their vision and wander keeping in mind the end goal to secure subsidizing, make a deal, meet another contact, and work out their group. Strategies for success are come down to projectiles, and financials get to be remembered insights. Despite the fact that these components are indispensable critical to an effective pitch, the genuine power originates from recounting a convincing account story.

How might you transform a pitch into a connecting with the story that inspires your gathering of people to trust in your vision? What does it take to make a story sing? Here are a few proposals from narrating specialists:

Make “Your” Story
Each story needs a starting, center, and end that leaves the gathering of people educated about your energy and the move you’re making. Keep in mind that compassion is the thing that gets the gathering of people, so fabricate that feeling of sympathy as you recount the story. It’s regularly simplest when the storyteller/business visionary stars as the hero, however attempt to move the client into that part right off the bat in your pitch. It’s more relatable for the crowd, and more inclined to get them snared.

Advance Stories With Data
Stories and information can and ought to cooperate. Stories set the setting for a pitch and for your crowd’s involvement, so implant the information into the contribute a way that expands and backings the story line.

Relate to Your Customer
The best organizations are those that take care of a client’s issue, yet the arrangement doesn’t need to be ostentatious or refined to make for a decent story. In the event that you comprehend the torment focuses for your particular client and relate to them particularly, will probably motivate them to purchase.

Build up A Deep Bench!
Business visionaries need more than one go-to story, in light of the fact that no two pitching situations or groups of onlookers are the same. Here are a couple story lines that business people need to ace about their endeavors:

Beginning Story

This is your why, not the what or how. Why do you exist? What’s at your center?

Center Team

How did you meet each other? How were the associations between colleagues shaped? How could you find you required each other?

Clients and Stakeholders – Why would it be advisable for them to think about this wonder? Who else do you have to bring on your adventure?

Short, Medium, and Long – Crafting a succinct pitch is a test, yet the key components—why you’re included and why your clients are included—remain the same. This is best done in a story, simply make sure to rapidly move to the arrangement.

Energize Questions!
A decent question is superior to a splendid reply. The absolute most significant input for a business visionary can come as inquiries regarding their story.

 

I find this tips from a blog post of Babson College.

-- Stay cool. Embrace weird.
Total 675 views. Thank You for caring my happiness.

গাই কাওয়াসাকির ম্যাকিনটোশ ওয়ে

জ্যাপোসের সিইও টনি সিয়ের ডেলিভারিং হ্যাপিনেস বইটা পড়ে যে আনন্দ পেয়েছিলাম, গাই কাওয়াসাকির দ্য ম্যাকিনটোশ ওয়ে পড়ে সেই রকমই মজা পেয়েছি। গাই কাওয়াসাকির লেখালেখির সঙ্গে প্রথম পরিচয় দ্য আর্ট অব স্টার্ট বইটার কল্যানে। দ্য আর্ট অব স্টার্টও দারুণ বই, সম্ভবত ৫/৬ দিনে পড়ে শেষ করেছিলাম। সেই ১৯৯০ সালে লেখা হলেও বইটা পড়ে আশির দশকের ম্যাকিনটোশ সময়কার মার্কেটিং-ব্র্যান্ডিং দুনিয়ার কথা জানা যায়। আশির দশকের অ্যাপলের মার্কেটিং-ব্র্যান্ডিং ভাবনার অনেক কথা আছে বইটায়। কিভাবে ইভাঞ্জেলিজমকে বেইজ করে মার্কেটে দারুণ সারা ফেলার কথা বইটা থেকে জেনেছি।

কাস্টমারকে কাস্টমার না, ফ্যান হিসেবে ট্রিট করলে দারুণ সাফল্য পাওয়া যায়। নর্ডস্ট্রমের উদাহরণ দিয়ে ম্যাকিনটোশ ওয়ে বইয়ে তা লিখেছেন গাই কাওয়াসাকি

সাধারন একটা প্রোডাক্টকে কিভাবে অসাধারন বানানো যায়, তার অনেকগুলো বাইবেলীয় নিয়ম ম্যাকিনটোশ ওয়ে বইয়ে দেয়া আছে।

বইটার শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত অ্যাপল, ম্যাকিনটোশ নিয়ে স্টিভ জবসসহ অ্যাপলের অনেক কর্তার বিরুদ্ধে, খানিকটা আক্রোশ নিয়ে, অনেককিছু লিখেছেন কাওয়াসাকি। কৌতুক করে লেখার কারণে বিষেদাগারগুলো পড়তে খারাপ লাগে নাই।

themachintoshwayবইয়ে যা আছে

তিন খন্ডে ভাগ করে বইটি শেষ করেন গাই কাওয়াসাকি। প্রথম দিকে ম্যাকিনটোশের ইতিহাস নিয়ে লেখেন তিনি। এসময় অ্যাপলের উঁচু পদের লোকজনের ‘পলিটিক্স’ ভাবনা আর আচরণগুলো তুলে ধরেন তিনি। দ্বিতীয় ও তৃতীয় ভাগটার জন্যই বই আসলে জনপ্রিয়। Doing Things Right আর Doing the Right Things এই দুই বিষয়ে লেখেন গাই। গাই ‘ম্যাকিনটোশ ওয়ে’ কোম্পানি নামে আসলে একটি ধারণা প্রতিষ্ঠা করতে চেয়েছেন, যে কোম্পানিগুলো আসলে  Doing Things Right আর Doing the Right Things থিমে কাজ করে। ম্যাকিনটোশকে সেই ভাবেই চালাতে চেয়েছিলেন গাই, শেষ পর্যন্ত না পেরে অ্যাপল থেকে বেরিয়ে আসেন তিনি।

বইটার শেষ চ্যাপ্টারটা দারুণ। ‘সফল বিয়ে করার কিছু উপায়’ শীর্ষক এই চ্যাপ্টারটা ১৯৯০ সালে লেখা হলেও, এখনও প্রাসঙ্গিক। আপনার প্রেমিকা বা স্ত্রীকে ‘আমি কাজ করছি’ এই বাক্য না বলে ‘আমি লিখছি’, কিংবা ‘আমি বই পড়ছি’ বলুন, গাই কাওয়াসাকির ভাষায় এই লাইনগুলো নাকি দারুণ কাজে দেয়।

 

আরও পড়ুন

দ্য আর্ট অব স্টার্ট: শুরু কিভাবে শুরু হয় তাই আছে বইটায়।

ডেলিভারিং হ্যাপিনেস: কোম্পানি কালচার কি জিনিষ তা নিয়ে দারুণ বই।

জিরো টু ওয়ান: পিটার থেইলের ‘সেই ছয় প্রশ্ন’ বিষয়ক দারুণ বই।

-- Stay cool. Embrace weird.
Total 1,985 views. Thank You for caring my happiness.

The Innovator’s Dilemma’s dilemma

The Innovator’s Dilemma is an extraordinary book on the development and how start-up and business visionaries should form their organization to conflict with settled in occupants.

The essence of the book is an intriguing pattern the writer found while investigating the business. Clayton M. Christensen found that specific developments were “problematic” – meaning they changed the way a market worked, and some were “managing” – meaning they were truly only enhancements on existing items.

I truly delighted in the book.

innovatorsdilemma

Section 1 of the Book is “The reason incredible organizations can fall flat”.

Ch. 1: How can incredible firms fall flat

Troublesome developments actually direct.

Concentrated on plate drive industry.

Known tech in interesting engineering.

Propelled tech improvement for supporting advancement.

Ch. 2: Value systems and the driving force to advance

Distinctive esteem systems (businesses, target clients) have diverse needs and cost structures, appointing quality to various segments of items.

Ch. 3: Disruptive development in mechanical earthmoving industry

At the point when troublesome advancement turns out, dominant part of market doesn’t need it

Look for market that could utilize it and values its esteem

Ch. 4: What goes up can’t go down

Moving upmarket to higher value focuses simpler for clients than moving downmarket into lower cost, littler market openings, as is required for problematic development.

Supervisors additionally lean toward higher edge, demonstrated market ventures.

Section 2: Managing problematic advancement

Great, not awful, administration to fault for missing problematic developments.

Ch. 5: Give duty regarding problematic innovations to associations whose clients require them

Clients assign an organization’s assets, not administration

Ch. 6: Match the measure of the association to the extent of the market

Administration in maintaining advances not fundamental

Ch. 7: Discovering new and developing markets.

Showcase applications for troublesome tech mysterious

Ch. 8: How to evaluate your association’s abilities and incapacities.

Just organizations that prevailing in problematic tech are the individuals who make an autonomous association whose size matches the measure of the open door.

3 elements: assets, forms, values.

Qualities are choice guidelines.

Ch. 10: Managing troublesome tech change contextual investigation.

Item: straightforward, solid, advantageous. Intended for the speedy and modest cycle. The low value point required in light of the fact that current has clear equation that doesn’t fit

Ch. 11: The predicaments of advancement outline.

1: Pace of market need doesn’t generally coordinate tech advance can’t simply be guided by current clients. Utilize tech direction maps.

I get some more review from Max Mednik’s blog. Cool.

Some straightforward and sensible bits of knowledge of the book:

In the first place: Market advance is separate from innovation advance. Clients don’t generally recognize what they require.

Second: Innovation requires asset portion, which is exceptionally troublesome for problematic advances.

Third: Disruptive innovation needs another market. Old clients are less applicable. Problematic innovation is a showcasing issue, not a mechanical one.

Fourth: Organizations have limit capacities. New markets empowered by problematic advancements require altogether different capacities.

Fifth: Information required to settle on speculation choices doesn’t exist. Disappointment and iterative learning are required.

6th: Disruptive advancements compensate pioneers.

Seventh: Small participant firms appreciate assurance since they’re doing things that don’t sound good to the business pioneers.

-- Stay cool. Embrace weird.
Total 575 views. Thank You for caring my happiness.

নর্ডস্ট্রমের ফ্যান ব্যবসা

যারা বড় বড় কোম্পানির ভ্যালু নিয়ে একটু জানাশোনার মধ্যে থাকে তাদের কাছে খুব পরিচিত এক নাম নর্ডস্ট্রম। ১৯০১ সালে প্রতিষ্ঠিত এই কোম্পানি শুধু জিনিষই বিক্রি করে না, ভ্যালু নিয়ে কাজ করে। কাস্টমার সার্ভিস কিভাবে দিতে হয় তা নিয়ে বড় উদাহরণ হিসেবে নর্ডস্ট্রমের নাম বিশেষভাবে আলোচিত হয়। গাই কাওয়াসাকির দ্য ম্যাকিনটোশ ওয়ে বই পড়ার সময় নর্ডস্ট্রমের কাস্টমার সার্ভিসের কথা জানতে পারি। নর্ডস্ট্রম তার ক্রেতাদের ক্রেতা নয়, ফ্যান-ভক্ত হিসেবে বিবেচনা করে। ক্রেতারা আজ থাকবে, কাল অন্য কোন বড় কোম্পানির কাছে চলে যাবে; কিন্তু ফ্যান? ভক্তরা কিন্তু আপনাকে ছেড়ে যাবে না। নর্ডস্ট্রম এই পথেই সবাইকে আকৃষ্ট করে।

nordstrom-way
নর্ডস্ট্রমের দোকানে কোন সেলসম্যানই দেখা যায় না, নর্ডস্ট্রমকে উপভোগ করে এমনই কিছু মানুষ নর্ডস্ট্রমের দোকানে থাকে।
নর্ডস্ট্রমের আগে জ্যাপোস ডট কমের কাস্টমার সেবা নিয়ে পড়ে মুগ্ধ হয়েছিলাম। কলসেন্টারে জুতা কেনার বদলে মানুষ পিজ্জা কই পাবে তা জিজ্ঞেস করে উত্তর পায় জ্যাপোস থেকে। জ্যাপোসের সিইও টনি সিয়ের ডেলিভারিং হ্যাপিনেস বইটা বাইবেল!
নর্ডস্ট্রমের কোন হাজার পাতার মিশন-ভিশনের বই নাই, ওরা একলাইনেই চলে, “Use Good Judgement in all situations.” কাস্টমার সার্ভিসের হাজারো নিয়ম দিয়ে শুধু মানুষকে বিরক্তই করা যায়, মন পাওয়া যায় না!

শাহরুখ খানে ফ্যান মুভিতে একটা লাইন আছে, Fan used to chase star before, Now Star will chase the Fan!

বিভিন্ন কোম্পানি সাধারণত কাস্টমার তার কাছে আসবে এটা ভাবে, কিন্তু দুনিয়া কাপাইতে হলে আসলে উল্টোটা ভাবা জরুরী।

Nordstrom believes that great service begins with showing courtesy to everyone—customers, employees, and vendors.
বিনয় প্রথমে, তারপরে ব্যবসা।
Robert Spector The Nordstrom Way to Customer Service Excellence বইয়ে লিখেছেন, “Recognition is powerful, as long as it’s authentic and specific. Whatever their level on the inverted pyramid, employees wants to feel needed and valued.”
আরও একটা দারুণ লাইন আছে এ বইয়ে,
“No one manages until he or she has “walked in the shoes” of those being managed.”
অন্যের জুতার উপরে দাড়িয়ে ভাবলে অনেক কিছু পরিষ্কার দেখা যায়। কাস্টমারের জুতার উপর দাড়িয়ে পণ্য বা সেবার মানের দিকে তাকালে দারুণ কিছু একটা হয় মনে হয়, নর্ডস্ট্রমই তো এর বড় একটা উদাহরণ।

-- Stay cool. Embrace weird.
Total 1,924 views. Thank You for caring my happiness.